ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আপসহীন জামায়াত: 'কাউকে দাদা বা বড় ভাই মানব না', দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আপসহীন জামায়াত: 'কাউকে দাদা বা বড় ভাই মানব না', দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আপসহীন জামায়াত: 'কাউকে দাদা বা বড় ভাই মানব না', দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের..
ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আপসহীন জামায়াত: 'কাউকে দাদা বা বড় ভাই মানব না', দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের..
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে দেশের ভোটারদেরকে অতীতের ধোঁকাবাজির রাজনীতি থেকে সরে এসে বাস্তবতা উপলব্ধির আহ্বান জানান।..

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে দুর্নীতি-দুঃশাসন মুক্ত করার ক্ষেত্রে তার দল কারও সাথে কোনো আপস করবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি নয়, বরং 'কথা ও কাজের মধ্যে মিল' রেখে দেশকে এক নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর মিরপুর পীরেরবাগ ঝিলপাড়ে ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে ডা. শফিকুর রহমান সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত এক প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির তার বক্তব্যে দেশের ভোটারদেরকে অতীতের ধোঁকাবাজির রাজনীতি থেকে সরে এসে বাস্তবতা উপলব্ধির আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "জামায়াত শুধুই প্রতিশ্রুতির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বরং কথা ও কাজের মধ্যে মিল রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনের আগে কিছু মানুষ বা দল বাংলাদেশকে আমেরিকা-কানাডা বানানোর স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু নির্বাচনের পরে তারা সে ওয়াদা আর রাখে না।"

তিনি বিগত ৫৪ বছরে দেশের মানুষ বহু ধোকা খেয়েছে উল্লেখ করে বলেন, "এবার এসব ধোকাবাজকে না বলুন। অতীত-বর্তমানের আমলনামা দেখে আগামীতে তাদের আমলনামা কী হবে তা বুঝতে হবে। তাই শুধু কথামালার ফুলঝুড়িতে বিভ্রান্ত হলে চলবে না বরং ভোটারকে অবশ্যই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে।" তিনি দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে ময়দানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে একটি দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, তাই এটি "কারো নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে না।"

তিনি বলেন, "কাউকে দাদা বা বড় ভাই আমরা মানবো না। নিজেরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মসম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে চলবো। কারো সাথে বৈরিতা নয় বরং সকলের সাথে বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তি হবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। আমরা কারো কাছে নতজানু হবো না। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমরা কারো রক্ত-চক্ষুকে পরোয়া করবো না।"

দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে নতুন প্রজন্ম ও যুব সমাজকে সরকারের মুখাপেক্ষী করে না রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, "আমরা এমন এক প্রত্যয়ী যুব সমাজ গড়ে তুলতে চাই যারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে স্বতোঃপ্রণোদিতভাবে নিজেরাই সরকারকে সহযোগিতা করবে।"

তিনি অতীতের ভুল স্বীকার করে বলেন, জাতি এত দিন 'অতীত নিয়ে কামড়াকামড়ি' করায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে। বিশ্বের অপরাপর জাতি যখন সামনের দিকে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা এখনও পশ্চাদপদ। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "কিন্তু এখন দিন বদলের সময় এসেছে। তাই দেশ ও জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে আমাদের ইতিবাচক পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের জন্য এগিয়ে যেতে হবে।"

কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসার সভাপতিত্বে ও মিরপুর পূর্ব থানার কর্মপরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই সমাবেশে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Nema komentara


News Card Generator