হিজলায় কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও… | আই নিউজ বিডি

হিজলায় কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সম্পন্ন..

সানাউল্লাহ আস সুদাইস avatar   
সানাউল্লাহ আস সুদাইস
হিজলায় কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সম্পন্ন..
হিজলায় কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সম্পন্ন..
ছবি: সংগৃহীত
****

 বরিশালের হিজলা উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে মাদরাসা প্রাঙ্গণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষক, ছাত্র, আলেম-ওলামা এবং এলাকার গণ্যমান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

 

মাহফিলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী জাহিদুল্লাহ আনসারী পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন। হামদ ও নাত পরিবেশন করেন তারুণ্য শিল্পীগোষ্ঠী যা অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত ও আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করেছে।

 

আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুর রহীম দা.বা. বলেন,এ ধরনের মাহফিল তরুণ প্রজন্মকে দ্বীনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

আল্লামা নজরুল ইসলাম কাসেমী বলেন,শিক্ষামূলক ও আধ্যাত্মিক আলোচনা তরুণদের মধ্যে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

 

মুফতী জাফর আহমাদ সাহেব বলেন,সমাজে নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য এ ধরনের আয়োজন অপরিহার্য।”

 

আলহাজ্ব হযরত মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব বলেন,মাহফিল আমাদের ঐক্য ও ধর্মীয় চেতনা জাগরণের একটি শক্তিশালী উদাহরণ।”

 

হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান জামী বলেন,প্রতিটি আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান আমাদের জীবনে নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রশিক্ষণ দেয়।

 

আলহাজ্ব মাওলানা আবু আব্দুল্লাহ মাহমুদী বলেন,এ ধরনের আয়োজন সমাজে শান্তি, ঐক্য ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে।

 

হযরত মাওলানা আবুল হাসানাত কাসেমী বলেন,মাহফিলের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতাকে অবলম্বন করতে শেখে।

 

আলহাজ্ব মাওলানা সালাহউদ্দিন খান সাহেব, যিনি অত্র মাদরাসার মুহতামিম বলেন তিনি বলেন,আমাদের শিক্ষার্থীরা কেবল জ্ঞান অর্জন করছে না, তারা নৈতিক ও আধ্যাত্মিকভাবে বিকশিত হচ্ছে। এই ধরনের মাহফিল তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে, যা মাদরাসার সাফল্যের এক মূল চাবিকাঠি।

 

উক্ত মাহফিলে উপস্থিত স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ মন্তব্য করেছেন,এ ধরনের আয়োজন আমাদের এলাকায় কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এবং তরুণ প্রজন্মের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা সরবরাহ করে।

 

মাহফিলের সমাপনীতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, শান্তি, ঐক্য ও প্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। মহিলাদের জন্য পৃথক আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

 

 সানাউল্লাহ আস সুদাইস, কুরআনী-নুর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা,তিনি বলেন আজকের মাহফিল কেবল আনন্দের অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইসলামের শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে পরিচালিত করার এক মহতী সুযোগ। সমাজে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা এবং কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আয়োজনের সাফল্যের জন্য সকল আলেম, শিক্ষার্থী ও সংগঠকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।হিজলায় কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সম্পন্ন

 

সানাউল্লাহ আস সুদাইস হিজলা উপজেলা প্রতিনিধি 

 

বরিশালের হিজলা উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে মাদরাসা প্রাঙ্গণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষক, ছাত্র, আলেম-ওলামা এবং এলাকার গণ্যমান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

 

মাহফিলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী জাহিদুল্লাহ আনসারী পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন। হামদ ও নাত পরিবেশন করেন তারুণ্য শিল্পীগোষ্ঠী যা অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত ও আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করেছে।

 

আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুর রহীম দা.বা. বলেন,এ ধরনের মাহফিল তরুণ প্রজন্মকে দ্বীনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

আল্লামা নজরুল ইসলাম কাসেমী বলেন,শিক্ষামূলক ও আধ্যাত্মিক আলোচনা তরুণদের মধ্যে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

 

মুফতী জাফর আহমাদ সাহেব বলেন,সমাজে নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য এ ধরনের আয়োজন অপরিহার্য।”

 

আলহাজ্ব হযরত মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব বলেন,মাহফিল আমাদের ঐক্য ও ধর্মীয় চেতনা জাগরণের একটি শক্তিশালী উদাহরণ।”

 

হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান জামী বলেন,প্রতিটি আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান আমাদের জীবনে নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রশিক্ষণ দেয়।

 

আলহাজ্ব মাওলানা আবু আব্দুল্লাহ মাহমুদী বলেন,এ ধরনের আয়োজন সমাজে শান্তি, ঐক্য ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে।

 

হযরত মাওলানা আবুল হাসানাত কাসেমী বলেন,মাহফিলের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতাকে অবলম্বন করতে শেখে।

 

আলহাজ্ব মাওলানা সালাহউদ্দিন খান সাহেব, যিনি অত্র মাদরাসার মুহতামিম বলেন তিনি বলেন,আমাদের শিক্ষার্থীরা কেবল জ্ঞান অর্জন করছে না, তারা নৈতিক ও আধ্যাত্মিকভাবে বিকশিত হচ্ছে। এই ধরনের মাহফিল তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে, যা মাদরাসার সাফল্যের এক মূল চাবিকাঠি।

 

উক্ত মাহফিলে উপস্থিত স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ মন্তব্য করেছেন,এ ধরনের আয়োজন আমাদের এলাকায় কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এবং তরুণ প্রজন্মের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা সরবরাহ করে।

 

মাহফিলের সমাপনীতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, শান্তি, ঐক্য ও প্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। মহিলাদের জন্য পৃথক আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

 

সানাউল্লাহ আস সুদাইস, কুরআনী-নুর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা,তিনি বলেন আজকের মাহফিল কেবল আনন্দের অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইসলামের শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে পরিচালিত করার এক মহতী সুযোগ। সমাজে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা এবং কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আয়োজনের সাফল্যের জন্য সকল আলেম, শিক্ষার্থী ও সংগঠকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

সানাউল্লাহ আস সুদাইস
মাশাল্লাহ
0 0 返事
もっと見せる


News Card Generator