“ভর্তি পর শিক্ষার্থীদের বিয়ে ও শিক্ষকের অভাবে পঞ্চগড়ের কলেজে শূন্য ফল”.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

“ভর্তি পর শিক্ষার্থীদের বিয়ে ও শিক্ষকের অভাবে পঞ্চগড়ের কলেজে শূন্য ফল”..

Eng. Nurullah Al Mamun avatar   
Eng. Nurullah Al Mamun
“ভর্তি পর শিক্ষার্থীদের বিয়ে ও শিক্ষকের অভাবে পঞ্চগড়ের কলেজে শূন্য ফল”..
“ভর্তি পর শিক্ষার্থীদের বিয়ে ও শিক্ষকের অভাবে পঞ্চগড়ের কলেজে শূন্য ফল”..
ছবি: সংগৃহীত
পঞ্চগড়ের তিনটি স্কুল-কলেজে এবার কেউ পাস করতে পারেনি। এমপিওভুক্ত না হওয়া, শিক্ষকের অভাব এবং ভর্তি পর শিক্ষার্থীদের বিয়ে হওয়ার কারণে এই ফলাফল এসেছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষার মান উন্নয়নের ব্যবস্থা ..

মোঃ নুরুল্লাহ  (অভয়নগর, যশোর) প্রতিনিধি ) : এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এবার পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাশ করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ফলাফল প্রকাশের পর এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:

  • বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ

  • মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ

  • আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ

খোঁজে জানা যায়, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল থেকে ১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল থেকে ১ জন অংশ নিয়েছিল এবং আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে চারজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, এর মধ্যে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন।

মাড়েয়া মডেল হাই স্কুলের অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, “আমাদের কলেজ শাখা এখনো এমপিওভুক্ত নয়। দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষক নেই। এজন্য একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।”

বোদা পাইলট গার্লস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী জানান, “ভর্তি হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের সবাই বিয়ে হয়ে গেছে, তাই কেউ পাস করতে পারেনি।”

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, “চারজন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনই পাসের যোগ্য ছিলেন। আমরা ফলাফলের পুনঃমূল্যায়ন বা চ্যালেঞ্জ করার উদ্যোগ নেব।”

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী জানান, “যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি, সেসবকে শোকজ করা হবে। আমরা কারণ খুঁজে বের করে শিক্ষার মান উন্নয়নের ব্যবস্থা নেব।”

Keine Kommentare gefunden


News Card Generator