বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে সম্প্রতি একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ফয়জুল করিম কর্তৃক পবিত্র কোরআন শরীফকে 'সুভংকরের ফাকি' বলে উল্লেখ করার প্রতিবাদ জানানো হয়। এই সমাবেশের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল বরগুনা জেলা শাখা।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা জেলা শাখার আহ্বায়ক শাহজালাল রুমি এবং বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। শাহজালাল রুমি তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, "পবিত্র কোরআন সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত আঘাতজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।"
বক্তারা বলেন যে, ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতি এ ধরনের অসম্মানজনক মন্তব্য সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে এবং এর ফলে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিঘ্নিত হতে পারে। তারা আরো জানান, "আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আশা করছি যে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়েছে এবং তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বক্তারা সরকারকে অনুরোধ করেন, এ ধরনের মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
সমাজের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দও এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা একমত পোষণ করেন যে, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
এই সমাবেশের মাধ্যমে বরগুনার সাধারণ জনগণও তাদের সমর্থন জানিয়েছে এবং তারা বিশ্বাস করেন যে, ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে এ ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
>বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের সামগ্রিক ধর্মীয় সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ এবং সরকারকে এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। তারা আরো উল্লেখ করেন যে, ধর্মীয় নেতাদের উচিত তাদের বক্তব্যে সংযম প্রদর্শন করা এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।