আ.লীগ কর্মীকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন, দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ। আই নিউজ বিডি.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

আ.লীগ কর্মীকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন, দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ। আই নিউজ বিডি..

KAMRUL HASAN SHARIF avatar   
KAMRUL HASAN SHARIF
আ.লীগ কর্মীকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন, দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ। আই নিউজ বিডি..
আ.লীগ কর্মীকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন, দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ। আই নিউজ বিডি..
ছবি: সংগৃহীত
আশুলিয়া প্রতিনিধি, শরিফ মিয়া

রাজধানীর সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের সক্রিয় ও চিহ্নিত কর্মী আসাদুজ্জামানকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কবিরপুরের বাইদগাঁও এলাকার মৃত আফসার উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। এলাকায় ক্ষমতার দাপটে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও জুট ব্যবসার নামে নানা অপকর্মের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তবুও তাকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করায় প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতা পালিয়ে গেলেও আসাদুজ্জামানের মতো অধিকাংশ নেতারা এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে সাধারণ বিএনপি সমর্থকরাও দেশে টিকে থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ। অথচ আমরা যদি আসাদুজ্জামানের মতো চিহ্নিত আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রত্যয়নপত্র দিয়ে পুনর্বাসন করি, তার পরিণতি ভোগ করতে হবে সাধারণ নেতাকর্মীদেরই। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। আশা করি, দলের হাই কমান্ড বিষয়টি তদন্ত করবেন।

একই অভিযোগ তুলেছেন শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান খান মিন্টু। তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি আসাদুজ্জামান আওয়ামী লীগ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। কিন্তু কীভাবে তিনি বিএনপির কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র পেলেন, তা আমাদের কাছে রহস্যজনক।

এ ব্যাপারে জানতে শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

রাজধানীর সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের সক্রিয় ও চিহ্নিত কর্মী আসাদুজ্জামানকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কবিরপুরের বাইদগাঁও এলাকার মৃত আফসার উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। এলাকায় ক্ষমতার দাপটে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও জুট ব্যবসার নামে নানা অপকর্মের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তবুও তাকে বিএনপি কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করায় প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতা পালিয়ে গেলেও আসাদুজ্জামানের মতো অধিকাংশ নেতারা এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে সাধারণ বিএনপি সমর্থকরাও দেশে টিকে থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ। অথচ আমরা যদি আসাদুজ্জামানের মতো চিহ্নিত আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রত্যয়নপত্র দিয়ে পুনর্বাসন করি, তার পরিণতি ভোগ করতে হবে সাধারণ নেতাকর্মীদেরই। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। আশা করি, দলের হাই কমান্ড বিষয়টি তদন্ত করবেন।

একই অভিযোগ তুলেছেন শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান খান মিন্টু। তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি আসাদুজ্জামান আওয়ামী লীগ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। কিন্তু কীভাবে তিনি বিএনপির কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র পেলেন, তা আমাদের কাছে রহস্যজনক।

এ ব্যাপারে জানতে শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতা পালিয়ে গেলেও আসাদুজ্জামানের মতো অধিকাংশ নেতারা এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে সাধারণ বিএনপি সমর্থকরাও দেশে টিকে থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ। অথচ আমরা যদি আসাদুজ্জামানের মতো চিহ্নিত আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রত্যয়নপত্র দিয়ে পুনর্বাসন করি, তার পরিণতি ভোগ করতে হবে সাধারণ নেতাকর্মীদেরই। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। আশা করি, দলের হাই কমান্ড বিষয়টি তদন্ত করবেন।

একই অভিযোগ তুলেছেন শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান খান মিন্টু। তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি আসাদুজ্জামান আওয়ামী লীগ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। কিন্তু কীভাবে তিনি বিএনপির কর্মী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র পেলেন, তা আমাদের কাছে রহস্যজনক।

 

এ ব্যাপারে জানতে শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator