ই সরা য়ে ল প্রতিশোধ নিতে প শ্চিম তীর দখল করলে তা বরদাশত করা হবে না: সত র্কবা র্তা যু ক্তরা জ্য.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ই সরা য়ে ল প্রতিশোধ নিতে প শ্চিম তীর দখল করলে তা বরদাশত করা হবে না: সত র্কবা র্তা যু ক্তরা জ্য..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
ই সরা য়ে ল প্রতিশোধ নিতে প শ্চিম তীর দখল করলে তা বরদাশত করা হবে না: সত র্কবা র্তা যু ক্তরা জ্য..
ই সরা য়ে ল প্রতিশোধ নিতে প শ্চিম তীর দখল করলে তা বরদাশত করা হবে না: সত র্কবা র্তা যু ক্তরা জ্য..
ছবি: সংগৃহীত
The UK has warned Israel not to retaliate against the recognition of Palestine by seizing the West Bank. Foreign Secretary Yvette Cooper stressed the move was aimed at ensuring peace, justice, and reg..

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর ইসরায়েল যেন প্রতিশোধ নিতে পশ্চিম তীর দখল করার মতো কোনো পদক্ষেপ না নেয়—এই বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই বরদাশত করবে না লন্ডন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের এক সম্মেলনে যোগদানের আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

কুপার বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি—ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনো পক্ষের ক্ষতি করার জন্য নয়। এটি শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “উভয়পক্ষের চরমপন্থীরা বারবার দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে। অথচ এটি পুনরুজ্জীবিত করা এখন যুক্তরাজ্যের নৈতিক দায়িত্ব।”

পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট জেনারেলকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে রূপান্তর করা হবে কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে কুপার কোনো সরাসরি মন্তব্য না করলেও জানান, বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। তবে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিটিশ কূটনীতিকরা একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কুপার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও সমঝোতার জন্য একটি নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন। ইতোমধ্যেই ফ্রান্স ও সৌদি আরব এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে বেলজিয়ামসহ আরও কয়েকটি দেশ যুক্ত হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে রোববার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির ঘোষণা দেন। এটি ছিল ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও আরও কিছু ইউরোপীয় দেশও এমন ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি এই স্বীকৃতিকে “সন্ত্রাসবাদের জন্য বিশাল পুরস্কার” হিসেবে অভিহিত করেন। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে—এটি হামাসের জন্য এক ধরনের “কূটনৈতিক উপহার।”

বর্তমানে জাতিসংঘের প্রায় ৭৫ শতাংশ সদস্য রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত, রাজধানী এবং পূর্ণাঙ্গ সেনাবাহিনী না থাকায় স্বীকৃতিটি মূলত প্রতীকী পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। লন্ডন জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের লাগাতার সম্প্রসারণই তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অন্যতম কারণ।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের মতে, যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন করে আলোচনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কড়া প্রতিক্রিয়া ইঙ্গিত করছে—এই ইস্যুতে সামনে আরও বড় ধরনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। বিশ্ববাসীর নজর এখন টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল সংকট সমাধানের দিকে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator