রাঙ্গুনিয়ার মজুমদারখীল উচ্চ বিদ্যালয়ে রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে এসএসসি, দাখিল এবং ভোকেশনাল পরীক্ষায় এ+ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। মানবিক ও সামাজিক সংগঠন 'মানবিক রাঙ্গুনিয়া'র উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মানবিক রাঙ্গুনিয়ার উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার ওসমান গনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ইউসুফ চৌধুরী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওমর ফারুক প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তা ছিলেন ইদ্রিস মিয়া (মাস্টার) ফাউণ্ডেশনের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন সিদ্দিকী মুন্না।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন মানবিক রাঙ্গুনিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জিয়া মঞ্চের যুগ্ম সম্পাদক সাহেদ আকবর, পৌরসভা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক রফিকুল কাদের এবং মানবিক রাঙ্গুনিয়ার উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম খোকন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মাহবুবুর রহমান মেম্বার, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনন্দ বড়ুয়া, উপজেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক রুপা আক্তার এবং পৌর জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান টিপু। মানবিক রাঙ্গুনিয়ার সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসেন বাপ্পু, শওকত হোসেন, বাসু দে, ইমন এবং আকাশও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। এসএসসিতে এ+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে এবং অধ্যবসায়ী হতে হবে। না হলে এইচএসসিতে এ+ মিস হতে পারে। অধ্যবসায় ও একাগ্রচিত্তে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হলে এইচএসসিতেও স্বপ্নের এ+ অর্জন করা সম্ভব।'
উত্তর রাঙ্গুনিয়ার ১৬টি স্কুলের মোট ৫০ জন কৃতি শিক্ষার্থী এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। মানবিক রাঙ্গুনিয়া এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে ভূমিকা রাখছে। এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করবে।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানবিক রাঙ্গুনিয়া তাদের সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছে। শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ধরনের উদ্যোগগুলোর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে। আগামীতে এ ধরনের আরও উদ্যোগ গ্রহণ করলে শিক্ষার্থীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং তাদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে।