আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটায় নেছারিয়া তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসা ও নেছারিয়া সমাজের আয়োজনে জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টায় মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয়ে মীরেরখীল অভিমুখী হয়ে সরফভাটার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মাদরাসা প্রাঙ্গণে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন নেছারিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা নাছির উদ্দীন আলকাদেরী। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে আজিমুশশান মিলাদ মাহফিল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার সাবেক অধ্যক্ষ মুফতি অছিয়র রহমান আলকাদেরী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রজভিয়া নূরীয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আল্লামা আবুল কাশেম নূরী।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আলহাজ্ব ইসমাঈল হোসাইন তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এসএ মুরাদ চৌধুরী, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, নাছিম উদ্দিন সিকদার, মোঃ ইব্রাহিম সিকদার, এবং আলমশাহপাড়া কামিল মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা আসগর আলী।
মিলাদ মাহফিলের সঞ্চালনা করেন মাওলানা ইলিয়াস নূরী, রফিকুল ইসলাম খোকন, এম সোহেল তালুকদার, মাওলানা কাজী নাসিম রেজা, মাস্টার রফিকুল ইসলাম, ছাত্রসেনা সাবেক সভাপতি মহি উদ্দিন নেসারি, ফারুক সওদাগর ও মাওলানা গিয়াস উদ্দিন।
বক্তারা রাসুল (দঃ)-এর আগমনের মাধ্যমে বিশ্বে খুশি এনেছিল উল্লেখ করে বলেন, তার জীবনাদর্শ অনুসরণ করলে মানবমুক্তি লাভ সম্ভব। তারা বলেন, রাসুল (দঃ)-এর জীবন ও আদর্শের আলোকে পৃথিবী সঠিক পথ খুঁজে পেয়েছে। এই ধরনের অনুষ্ঠান ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।
এই জশনে জুলুছ ও মিলাদ মাহফিল রাঙ্গুনিয়ার ধর্মপ্রাণ মানুষদের জন্য একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, যা তাদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা বহন করে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।