চট্টগ্রামে চার ধরনের জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এছাড়া ডেঙ্গু, সাধারণ ভাইরাস জ্বর (ফ্লু) এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণও বাড়ছে। আক্রান্তদের মধ্যে উচ্চমাত্রার জ্বর, অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা, ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ এবং দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্ট পেইনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন, যার মধ্যে ৭০ শতাংশই চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক হামিদুল্লাহ মেহেদী বলেন, ‘এই মুহূর্তে চিকুনগুনিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। জ্বরের সঙ্গে জয়েন্টে ব্যথা, হাড় ফুলে যাওয়া, র্যাশ—এসব উপসর্গ থাকলে চিকুনগুনিয়ার আশঙ্কা বেশি।’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও জ্বরের রোগীর চাপ বেড়েছে। প্রতিদিন অন্তত দুই হাজার জ্বরের রোগী আসছেন বলে জানা গেছে। মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আবদুস সাত্তার জানান, ‘চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু, ভাইরাস জ্বর ও করোনা—সব মিলিয়ে এখন চার ধরনের জ্বর দেখা যাচ্ছে। উপসর্গ দেখে বোঝা যাচ্ছে, এবারে চিকুনগুনিয়ার প্রকোপই বেশি। তবে পিসিআর পরীক্ষার সুযোগ সীমিত থাকায় সুনির্দিষ্টভাবে আলাদা করে শনাক্ত করা কঠিন।’