এই জয়ে প্রথম রাউন্ড শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ মিলে যোগ করেন ৭০ রান। রিফাত ৩১ রান করে আউট হলেও আবরার চালিয়ে যান আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক আজিজুল হাকিমের সঙ্গে আরও ৭৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। যদিও শতকের কাছাকাছি গিয়ে থেমে যান আবরার। ৬৩ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৮২ রান করে আউট হন তিনি। অধিনায়ক আজিজুল হাকিম করেন ৩১ রান।
অধিনায়কের বিদায়ের পর মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেই চাপ সামাল দেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। শেষদিকে টেইলেন্ডারদের সঙ্গে গড়ে তোলেন কার্যকরী জুটি। ৬৪ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে নিয়ে যান ২৭৪ রানের বড় সংগ্রহে। তাঁর পাশে দেবাশিষ দেবা করেন ২৪ রান।
২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল। মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান তুলে ফেলেছিল তারা। তবে এরপরই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করে স্বাগতিকরা। ৮৫ রানের ব্যবধানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
বল হাতে দারুণ ছিলেন সাইমুন বশির। ১৪ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। আজিজুল হাকিম ও আল ফাহাদ নেন ২টি করে উইকেট। জিম্বাবুয়ের হয়ে ওপেনার নাথানিয়েল লাবাঙ্গানা করেন সর্বোচ্চ ৫৩ রান। সেনজেরে করেন ২৩ বলে ২৬ রান। এই জয়ে সিরিজে দারুণ ছন্দে রয়েছে যুবা টাইগাররা। টানা দুটি জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর আজিজুলের দল।