বাড্ডায় আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

বাড্ডায় আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার..

Sumon Hawlader avatar   
Sumon Hawlader
বাড্ডায় আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার..
বাড্ডায় আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার..
ছবি: সংগৃহীত
বাড্ডায় আনোয়ার হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার। হত্যায় ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।..

বাড্ডা প্রতিনিধি | ১৪ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর বাড্ডায় বহুল আলোচিত আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. নূর আলম শেখ ওরফে নূরাকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির বাড্ডা থানা পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

গত ৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে নূরাকে গ্রেফতার করা হয় এবং আদালত তার বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড চলাকালীন নূরা স্বীকারোক্তি দেন। গত রবিবার (১৩ জুলাই) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বাড্ডা থানাধীন পূর্ব আনন্দনগর এলাকার হাওলাদার বাড়ির পেছনে কংক্রিটের বস্তার নিচ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত ৮ মে রাতে, যখন বাড্ডার ভূঁইয়াবাড়ী ২৬ কলোনী মোড়ে আনোয়ার হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে মো. নূর আলম শেখ ও তার সহযোগীরা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ঘটনাস্থলে আসে। আনোয়ার আনন্দনগর থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে লক্ষ্য করে পেটে গুলি করা হয় এবং হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন আহত আনোয়ারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এক মাসের বেশি সময় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর গত ১৫ জুন দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যা পুলিশকে তদন্তে নতুন দিশা দেয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত নূর এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পিস্তলটি আকবর আলীর বাড়ির পূর্ব পাশে একটি আমগাছের নিচে লুকানো কংক্রিটের বস্তা খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়। এদিকে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সহিংস ঘটনার পেছনে মাদক সংশ্লিষ্টতা বড় ভূমিকা পালন করছে। একই সাথে, অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা যায়।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা এই গ্রেফতার এবং অস্ত্র উদ্ধারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশি কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা আশা করছেন, অপরাধীদের কঠোর শাস্তির মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে।

Nema komentara


News Card Generator