বিএনপিকে কোণঠাসা করার কঠোর পরিকল্পনা কল্পনা চলছে:গোলাম মাওলানা রনি | আই নিউজ বিডি

বিএনপিকে কোণঠাসা করার কঠোর পরিকল্পনা কল্পনা চলছে:গোলাম মাওলানা রনি..

Shakil Hasan avatar   
Shakil Hasan
বিএনপিকে কোণঠাসা করার কঠোর  পরিকল্পনা কল্পনা চলছে:গোলাম মাওলানা রনি..
বিএনপিকে কোণঠাসা করার কঠোর  পরিকল্পনা কল্পনা চলছে:গোলাম মাওলানা রনি..
ছবি: সংগৃহীত
গোলাম মাওলা রনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপি কেন এখনো বুঝে উঠতে পারছে না যে তাদের বিরুদ্ধে এত নেতিবাচকতা তৈরি হচ্ছে? তিনি বলেন, ‘বিবৃতি ও বক্তৃতা দিয়ে এই সংকট থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। এখন দরকার ‘অ্যাকশন’। কিন্..

বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে একঘরে করার জন্য একটি সুপরিকল্পিত ও শক্তিশালী প্রচেষ্টা চলছে, এমনটাই মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তার দাবি, এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো বিএনপিকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশে একতরফা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। সম্প্রতি তার ইউটিউব চ্যানেলে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মাওলা রনির মতে, জুলাই ও আগস্ট মাসের মধ্যেই কিছু গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে।

এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং একটি সুবিধাজনক কমিশন তৈরি করার পরিকল্পনা। তিনি বলেন, ‘এই পরিকল্পনার পথে প্রধান বাধা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বিএনপিকে। তাই বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে ফিনিশ করার চেষ্টা চলছে—প্রচার, অপবাদ ও প্রশাসনিক চাপে।’ তিনি আরো দাবি করেন, তার পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মাইনাস টু থিওরি আবার ফিরে আসছে এবং ১১ দফা আন্দোলনের আদলে নতুন একটি রাজনৈতিক তরঙ্গ তৈরি হচ্ছে, যেখানে বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার মতো হুমকিও উচ্চারিত হচ্ছে।  গোলাম মাওলা রনি সরাসরি বিএনপির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বিএনপির তৃণমূল কমিটি গঠনে অর্থ-বাণিজ্য ও অনৈতিক লেনদেন হয়েছে, যা দলটিকে আদর্শ ও শৃঙ্খলার পথ থেকে বিচ্যুত করেছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি দেওয়ার জন্য লাখ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে। ফলে এখন নেতারা সেই টাকা উসুলে ব্যস্ত, নীতি-আদর্শের কথা ভুলে গেছেন।

’ তিনি প্রস্তাব করেন, সমস্ত কমিটি ভেঙে দিয়ে ৩০০টি নির্বাচনী আসনভিত্তিক যোগ্য প্রার্থী ঠিক করে এবং দল চালানোর দায়িত্ব সেই প্রার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হোক।
গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে দেশে চাঁদাবাজি, দখলদারি, সহিংসতা ও সাজানো মামলার পেছনে বিএনপির নাম জড়িয়ে যাচ্ছে, যদিও অনেক ঘটনাই তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সংগঠিত।’ সেনাবাহিনী ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তুলনামূলকভাবে তিনি বলেন, ‘গত ১১ মাসে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ কমেছে। বরং বিএনপির নেতাকর্মীরা এসব অপকর্মের দায় নিচ্ছেন, অনেকটা চুপচাপ ব্যবহৃত হচ্ছেন।

https://youtu.be/CDR47ND6e-0?si=zJ176xJuqrn3MIeG

Geen reacties gevonden


News Card Generator