দিনের ভোট রাতে হতে দেওয়া হবে না, এবার জনগণই রুখবে: জয়নুল আবেদীন ফারুকের হুঁশিয়ারি.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

দিনের ভোট রাতে হতে দেওয়া হবে না, এবার জনগণই রুখবে: জয়নুল আবেদীন ফারুকের হুঁশিয়ারি..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
দিনের ভোট রাতে হতে দেওয়া হবে না, এবার জনগণই রুখবে: জয়নুল আবেদীন ফারুকের হুঁশিয়ারি..
দিনের ভোট রাতে হতে দেওয়া হবে না, এবার জনগণই রুখবে: জয়নুল আবেদীন ফারুকের হুঁশিয়ারি..
ছবি: সংগৃহীত
BNP leader Zainul Abedin Farroque, speaking at a protest in Senbagh, warns that no more rigged elections will be tolerated in Bangladesh. “No more midnight ballots,” he declared.

নোয়াখালীর সেনবাগে রক্তাক্ত ৬ জুলাই স্মরণে বিএনপির বিশাল সমাবেশে জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, শেখ হাসিনার দিনের ভোট রাতে করার নির্বাচন আর চলবে না। এবার মানুষই ভোটাধিকার রক্ষা করবে।

নোয়াখালীর সেনবাগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেছেন, “বাংলাদেশে আর কখনো দিনের ভোট রাতে হতে দেওয়া হবে না। দেশের মানুষ আর শেখ হাসিনার পাতানো নির্বাচন মেনে নেবে না।”

তিনি বলেন, “এই সরকার মৃত মানুষের নামেও ভোট দিয়েছে, ভোটকেন্দ্র দখল করে দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন করেছে। এই যে প্রহসনের নির্বাচন, তা দেশের মানুষ এবার ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা এমন নির্বাচন চাই না যেখানে ভোটারদের ইচ্ছা প্রকাশের স্বাধীনতা থাকে না।”

রোববার (৬ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ আয়োজনে “রক্তাক্ত ৬ জুলাই স্মরণে” আয়োজিত সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ফারুক আরও বলেন, “আমরা চাই সেই বাংলাদেশ যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’—এই অধিকারের সুরক্ষা চাই। সরকারের উচিত অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

এই সমাবেশের পূর্বে ফারুকের নেতৃত্বে সেনবাগ পৌর শহরের প্রধান সড়কজুড়ে এক বিশাল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা মিছিল করে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন এবং সেখানে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। প্রধান বক্তা ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া এবং সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ।

এছাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপি ছাড়াও যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একে একে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তাঁরা সকলেই নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি ও ফারুকের সঙ্গে পূর্বের পুলিশি নির্যাতনের বিচার দাবি তোলেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের এই দিনে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক জাতীয় সংসদের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থানকালে পুলিশি হামলার শিকার হন। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তা এডিসি হারুন ও বিপ্লব সরকার তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করে। সেই ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর ৬ জুলাই বিএনপি এই দিনটিকে ‘রক্তাক্ত ৬ জুলাই’ হিসেবে পালন করে থাকে। এবারো সেই ধারাবাহিকতায়, অতীতের অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বর্তমান ভোটের অনিয়মের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানিয়ে মাঠে নামে বিএনপি।

জয়নুল ফারুক আরও বলেন, “একদিন আসবে যখন নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই। এই দেশ কোনো দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটা ১৮ কোটি মানুষের। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই হবে।

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator