বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের শাশুড়ি মুহতারামা আয়শা আহমদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের শাশুড়ি মুহতারামা আয়শা আহমদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার, ৬ জুলাই রাতের দিকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন জামায়াত আমির নিজেই। তাঁর স্ট্যাটাসটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহল থেকে শোক ও সমবেদনার বার্তা আসতে শুরু করে।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আমার শ্রদ্ধেয়া শাশুড়ি মুহতারামা আয়শা আহমদ কিছুক্ষণ আগে দুনিয়ার সফর সমাপ্ত করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমাদের পরিবার, সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাঁর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আপনারা যেভাবে খোঁজ-খবর নিয়েছেন এবং দোয়া করেছেন—এটি আমাদের পরিবারের জন্য বড় সান্ত্বনা।”
তিনি আরও বলেন, “হায়াত ও মউত—এই দুটো বিষয়ই আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত ফায়সালা ও নিয়ামত। তিনি যাকে চান, যেভাবে চান, তাঁর পক্ষেই নির্ধারণ করেন। আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর এই বান্দির প্রতি রহম করুন, তাঁকে ক্ষমা করুন এবং কবরকে প্রশস্ত করুন। অনন্ত জীবনের সফরে তাঁকে জান্নাতের পথ দেখিয়ে রহমতের ফেরেশতা দ্বারা সহায়তা করুন। সকলের কাছে সেই দোয়াই আমরা কামনা করি।”
মুহতারামা আয়শা আহমদ একাধারে একজন নিবেদিতপ্রাণ মুমিন নারী ছিলেন, যিনি পারিবারিক ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল থেকে শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।
বিশেষ করে জামায়াত সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা তাঁর মৃত্যুতে দোয়ার আয়োজন করেছেন। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও, দলীয় সূত্রে জানা যায়, তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে পারিবারিক পরিবেশে।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বার্তায় সবাইকে আহ্বান জানান, যেন তাঁরা মরহুমার মাগফিরাতের জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করেন। সেইসাথে আল্লাহ যেন শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন।
একজন মুমিন নারী হিসেবে মুহতারামা আয়শা আহমদ তাঁর জীবদ্দশায় পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং ধর্মীয় দায়িত্বের প্রতি অগাধ নিষ্ঠা ও ভালোবাসা দেখিয়েছেন। তাঁর চলে যাওয়াকে শুধু একটি পরিবারের নয়, একটি আদর্শিক চেতনার স্তম্ভ ভেঙে পড়ার মতোই দেখছেন অনেকে।