নন্দীগ্রামে সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্ক: একাব্বর আলীর বিরুদ্ধে কঠোর… | আই নিউজ বিডি

নন্দীগ্রামে সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্ক: একাব্বর আলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি..

MD.SAKIB HASAN avatar   
MD.SAKIB HASAN
নন্দীগ্রামে সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্ক: একাব্বর আলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি..
নন্দীগ্রামে সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্ক: একাব্বর আলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি..
ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ার নন্দীগ্রামে একাব্বর আলীর সন্ত্রাসী হামলায় গ্রামবাসী আতঙ্কিত, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।..

নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি : 

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কাথম গ্রামে গত ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে একাব্বর আলী নামের এক কুখ্যাত সন্ত্রাসীর হামলায় গ্রামবাসী আতঙ্কিত। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রব্বানী নামের এক ব্যাক্তিকে লক্ষ্য করে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করে একাব্বর। এই ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একাব্বর আলী এর আগেও গ্রামের বিভিন্ন মানুষকে হামলার শিকার করেছে এবং হত্যার চেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এমনকি তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বারবার সে ছাড়া পেয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দরা বলেন, 'আমরা একাব্বরের অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের দাবি, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।'

ঘটনার পর পুলিশ রব্বানীর ভাই হারুন আর রশিদকে আটক করে। ৩ জুলাই, ২০০৫ সালে একাব্বর আলী উল্টো রব্বানীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এই প্রবণতা গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।

গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে এবং রব্বানীর ভাই হারুন আর রশিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বলেছে, তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এই হামলার পর রব্বানী বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। গ্রামবাসী তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে এবং আশাবাদী যে প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এদিকে, সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে, নন্দীগ্রামের মতো এলাকায় সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য রোধ করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

Geen reacties gevonden


News Card Generator