আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। প্রেস সচিবের বরাত দিয়ে সরকারি উচ্চপর্যায় থেকে এই অনমনীয় হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তফসিল ঘোষণার পর রাস্তা অবরোধ বা বেআইনি জনসমাগম করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করলে প্রশাসন বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না।
সূত্র মতে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে মাঠ গরম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, তফসিল ঘোষিত হওয়ার পর জনগণের নিরাপত্তা এবং অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রেস সচিবের কড়া হুঁশিয়ারিতে পরিষ্কার, যারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার পাঁয়তারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের এই কঠোর বার্তা মূলত সেইসব রাজনৈতিক দল ও মহলকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে, যারা নির্বাচন বয়কট করে রাজপথে আন্দোলন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে পারে। প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এই ক্ষেত্রে কেউ বিঘ্ন ঘটালে তা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে। যেকোনো মূল্যে নির্বাচনী তফসিল ও পরিবেশের মর্যাদা বজায় রাখা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।