সাকি বলেন, “ফ্যাসিবাদকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করতে হলে দেশে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা জরুরি। আর তার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় কিছু পক্ষ নির্বাচন ও সংস্কারকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচনই পারে বিচার ও সংস্কারের পথ সুগম করতে।
সাকি বলেন, “আজকের দিনে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন—এই তিনটি বিষয় জাতীয় স্বার্থে পরিণত হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব।”
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণকে গণতন্ত্র উত্তরণের আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। আর জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়েই তা সম্ভব।”
গণসংহতি আন্দোলন বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের পক্ষে রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সাকির এ বক্তব্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনৈতিক মহলের ঐক্যের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।