close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

সাতক্ষীরায় বিএনপির ৯টি ওয়ার্ড কাউন্সিল সম্পন্ন

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা avatar   
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নে বিএনপির ওয়ার্ড কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জেলা নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে নতুন নেতৃত্বের অঙ্গীকার করা হয়..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩১ আগস্ট ২০২৫) বিকালে এই কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসকিন আহমেদ চিশতী এবং জেলা বিএনপির সদস্য এড. নুরুল ইসলাম।

সভায় প্রধান অতিথি রহমাতুল্লাহ পলাশ বলেন, "বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে এসেছে। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে দলের শক্তি আরো সুসংহত করতে চাই।" তিনি আরও বলেন, "নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করতে সক্ষম হব।"

প্রধান বক্তা আবু জাহিদ ডাবলু তার বক্তব্যে বলেন, "নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্বই দলের মূল শক্তি।"

এই কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে ফিংড়ি ইউনিয়নে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শেয়ার করেন এবং দলের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ধরনের কাউন্সিলের মাধ্যমে তৃণমূলের কর্মীদের সাথে জেলা নেতৃত্বের সরাসরি সংযোগ স্থাপন হয়, যা দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে সুসংহত করে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রক্রিয়া দলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে একটি শক্তিশালী অবস্থান অর্জনে সহায়ক হবে। এছাড়া, এই কাউন্সিল স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃত্বের দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অংশগ্রহণকারীদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় সমস্যা সমাধানে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে সমন্বয় সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেলে দলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।

এই কাউন্সিলের মাধ্যমে স্থানীয় নেতারা তাদের মতামত প্রকাশ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। এতে স্থানীয় রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, যা দলের ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে সহায়ক হবে।

 

Tidak ada komentar yang ditemukan