মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
এ সময় নৌকাসহ আড়াই মণ কাকড়া ও নিষিদ্ধ চারু জব্দ করা হয়েছে। শনিবার ভোর রাত তিনটার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করেন বনরক্ষীরা।
আটক শিকারীদের শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাদপাই ফরেষ্ট ষ্টেশন ও আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের বনরক্ষীরা যৌথভাবে শনিবার (৪ জুলাই) ভোররাতে সুন্দরবনের মৃগামারী খালে অভিযান চালিয়ে নৌকাসহ চার হরিণ শিকারীকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে ৩শ ফুট হরিণ ধরা মালা ফাঁদ, ৭টি ঝুড়িতে রাখা আড়াই মণ কাকড়া ও কাকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারুসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করেন বনরক্ষীরা। আটক শিকারীরা হচ্ছে, মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের একাধিক বন মামলার আসামী ফরিদ হাওলাদার (৫৫), আতাউর খান (৫৬), মোজাম জোমাদ্দার (৩৩) ও রুহুল জোমাদ্দার (৩৫)।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারী রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শনিবার ভোররাতে মৃগামারীতে আটক এই ৪ হরিণ শিকারী সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করে হরিণ শিকারের অপচেষ্টা চালায় এবং কাকড়া ধরে। আটক ফরিদ একজন কুখ্যাত হরিণ শিকারী। তার বিরুদ্ধে একাধিক বন মামলা চলমান রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে সে আবার হরিণ শিকারে নেমে পড়ে। আটক ৪ শিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদেরকে শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে বলে ডিএফও জানান।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।