ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার কোন্ডা ইউনিয়নের জাজিরা এলাকায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মোঃ বাবুল মিয়া (৫২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। আটককৃত বাবুল মিয়া এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং স্থানীয় খলিলের বাজারে পিঠার দোকান চালান।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের পূর্ব জাজিরা খলিলের চর এলাকায় আজিজুল হকের ইটের ভাটার পাশের জমিতে ভুক্তভোগী শিশুটি খেলছিল। তখন বাবুল মিয়া শিশুটিকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন। শিশুটি বাড়িতে এসে পরিবারকে বিষয়টি জানালে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে বাবুল মিয়াকে ডেকে সতর্ক করেছিলেন। সে সময় বাবুল নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে বিষয়টি তখনকার মতো সুরাহা করা হয়েছিল।
তবে সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গতকাল ২৪ জুন দুপুরে আবারো সেই এলাকায় শিশুটি তার এক সঙ্গীর সঙ্গে খেলতে যায়। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে বাবুল মিয়া শিশুটিকে কৌশলে ফুসলিয়ে নির্জন একটি গর্তে নিয়ে যায় এবং পিঠা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। কাউকে কিছু না বলার শর্তে সে শিশুটিকে মাত্র ৩০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগী শিশুর সাথে থাকা অন্য এক শিশু চিৎকার করলে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত বাবুল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় ভুক্তভোগীর পরিবার তাকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করে এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার মেয়ের সাথে যে জঘন্য কাজ করা হয়েছে, আমি তার সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি। সে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এবং জামায়াতের কর্মী হওয়ায় আমরা আগে একটু ভয়ে ছিলাম, কিন্তু এখন আর কোনো ছাড় দিতে চাই না।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে আটক করেছি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।