নিউজ হেডলাইন: কয়রার ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামিদের নিয়ে ‘ব্যানারহীন’ মানববন্ধন নেপথ্যে জমি দখলের চক্রান্ত..

Tanin Piash Chowdhury avatar   
Tanin Piash Chowdhury
নিউজ হেডলাইন: কয়রার ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামিদের নিয়ে ‘ব্যানারহীন’ মানববন্ধন নেপথ্যে জমি দখলের চক্রান্ত..
নিউজ হেডলাইন: কয়রার ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামিদের নিয়ে ‘ব্যানারহীন’ মানববন্ধন নেপথ্যে জমি দখলের চক্রান্ত..
****
আঞ্চলিক ভাষায় পড়ুন:

 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

স্টাফ রিপোর্টার 

তানিন পিয়াস চৌধুরী 

তাং: ২৪/০৬/২৬ বুধবার।

খুলনার কয়রা উপজেলায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের জমি দখল করতে অভিনব ও নাটকীয় কৌশল অবলম্বন করেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। ২০২১ সালের আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিদের সাথে নিয়ে ‘ব্যানারহীন’ ও ভাড়ায় চালিত মানববন্ধন করে ভুক্তভোগী পরিবারকে উল্টো হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ফারুক হোসেন মোড়ল এবং নৌবাহিনী সদস্য মোস্তফার নেতৃত্বে এই সাজানো মানববন্ধন ও জমি দখলের পাঁয়তারা চলছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি মফিজুল ইসলামের জমি দখল ও নির্যাতনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর অভিযুক্তরা ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি নাটকীয় মানববন্ধনের আয়োজন করে। স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন মোল্লা, রোকন ও শহিদুলদের দাবি, ৫০০ টাকার বিনিময়ে কিছু ভাড়াটে লোক নিয়ে রাস্তার ওপর এই কর্মসূচি পালন করা হয়, যেখানে কোনো ব্যানার বা সুনির্দিষ্ট দাবি ছিল না।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই মানববন্ধনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন ২০২১ সালের সেই ট্রিপল মার্ডার (হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী বিউটি খানম ও কন্যা হাবিবা সুলতানা টুনি হত্যা) মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আল আমিন গাজী, আব্দুল ওহাব, রিজিয়া সুলতানা ও তাসলিমা খানম। খুনের মামলার আসামিরা এভাবে প্রকাশ্যে এসে বাদীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ তথ্য ছড়িয়ে মানববন্ধন করায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলামের অভিযোগ, তার ক্রয়কৃত ও রেকর্ডীয় জমির ওপর নজর পড়েছে ফারুক হোসেন মোড়লের। উল্লেখ্য, এই ফারুক মোড়লের আপন বড় ভাই রজত মোড়ল উক্ত ট্রিপল মার্ডার মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। মূলত ভাইকে মামলা থেকে বাঁচাতে এবং মফিজুলের জমি হাতিয়ে নিতেই ফারুক মোড়ল ও নৌবাহিনী সদস্য মোস্তফা হাত মিলিয়েছেন। তারা ইতিমধ্যেই ওই জমির একাংশে পাকা দোকান নির্মাণ শুরু করেছিলেন। থানায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মফিজুলের বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, যা নিয়ে আদালতে বর্তমানে মামলা চলছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নৌবাহিনীতে চাকরির সুবাদে মোস্তফা নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে মনে করেন। তিনি এই ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামিদের প্রধান অর্থদাতা ও আশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করছেন। আসামিরা প্রকাশ্যেই দাপট দেখিয়ে বলছে, “১৯ জন আসামি ১৯টা মামলা করব, মার্ডার মামলায় আমাদের কিছুই হবে না।” মোস্তফার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে অন্যের জমি দখল ও একাধিক বিয়ের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগও স্থানীয় পর্যায়ে মুখে মুখে।

২০২১ সালের সেই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের পর মামলাটি বর্তমানে খুলনা সিআইডিতে তদন্তাধীন। আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও প্রভাবশালীদের মদদে তারা এখন বাদীর পরিবারকেই এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। মফিজুল ইসলাম বলেন, “ভাই-ভাবি ও ভাতিজিকে হারিয়েছি, এখন আসামিরা আমাদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করতে সাজানো মানববন্ধনের নাটক করছে। আমরা জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এই সাজানো মানববন্ধন এবং ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

 

কয়রা থানা খুলনা থেকে

 তানিন পিয়াস চৌধুরী

দি আই নিউজ বিডি সংবাদ।

খবরের সাথে চ্যাট করুন (AI Chat with the News)
Powered by AI
📋 ৩ লাইনে সারসংক্ষেপ
🔍 মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট
👥 প্রধান ব্যক্তি/পক্ষ
⚡ প্রভাব ও পরিণতি
AI Assistant
নমস্কার/সালাম! আমি এই সংবাদের বিবরণটি পড়েছি। এই খবরের যেকোনো তথ্য জানতে আমাকে প্রশ্ন করুন।
এআই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন (AI Satirical Cartoon)
Instant Caricature
Eye News Logo

সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।

No comments found


News Card Generator