মুরাদনগরে পিআইও অফিস সহকারীর ‘রাজকীয়’ জীবন: দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়..

Comilla Correspondent avatar   
Comilla Correspondent
মুরাদনগরে পিআইও অফিস সহকারীর ‘রাজকীয়’ জীবন: দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়..
মুরাদনগরে পিআইও অফিস সহকারীর ‘রাজকীয়’ জীবন: দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়..
📷 সংগৃহীত ছবি
****

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিসে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ সফিকুল ইসলামের বিপুল সম্পদের তথ্য ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সীমিত বেতনের চাকরি করেও কীভাবে তিনি ও তার পরিবারের নামে কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন—এ প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যমতে, সফিকুল ইসলাম ২৬ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। বর্তমানে তার বেতন স্কেল ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকার মধ্যে। অথচ তার ও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট, স্বর্ণালংকার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। 

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মৌজাখুতিতে ৬ শতক জমি, আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, নিজ নামে।
কৃষ্ণনগর মৌজায় স্ত্রীর নামে জমি, মূল্য প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
দেবিদ্বারের কাশারিখোলা মৌজায় ১৬ শতক জমি স্ত্রীর নামে হেবা বিল এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে ক্রয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃতপক্ষে নিজের টাকায় অন্যের নামে সম্পদ গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে। দেবিদ্বার মৌজায় নিজ নামে আরও ৫ শতক জমি।
দক্ষিণ চর্থা মৌজায় ৩ শতক জমির মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
মনোহরপুর এলাকায় স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাটবাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা।
স্বর্ণ, সঞ্চয় ও ব্যাংক হিসাব: নিজের নামে ৫ ভরি ও স্ত্রীর নামে ২২ ভরি স্বর্ণালংকার, মোট মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা।
স্ত্রীর নামে ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে নিজ ও স্ত্রীর নামে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের জমা রয়েছে।
জিপিএফ/সিপিএফ হিসেবে প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার সঞ্চয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।

এদিকে, অনুসন্ধান চলাকালে বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—একজন নিম্নপদস্থ সরকারি কর্মচারী কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হলেন? বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।

অনুসন্ধানী টিম জানিয়েছে, সফিকুল ইসলামের নামে-বেনামে আরও সম্পদের অভিযোগ রয়েছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

খবরের সাথে চ্যাট করুন (AI Chat with the News)
Powered by AI
📋 ৩ লাইনে সারসংক্ষেপ
🔍 মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট
👥 প্রধান ব্যক্তি/পক্ষ
⚡ প্রভাব ও পরিণতি
AI Assistant
নমস্কার/সালাম! আমি এই সংবাদের বিবরণটি পড়েছি। এই খবরের যেকোনো তথ্য জানতে আমাকে প্রশ্ন করুন।
No comments found


News Card Generator