close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

লালমনিরহাটে ঝুমুর হ-ত্যা : মামলা হলেও এখন প্রকাশ্যেই ঘুরছে আসামিরা..

Foysal Sourov avatar   
Foysal Sourov
ফয়সাল সৌরভ, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

 

লালমনিরহাট জেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গৃহবধূ ঝুমুর আক্তার-এর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মামলার আসামিরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ২১ তারিখে ঝুমুর আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। প্রথমদিকে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হলেও শুরু থেকেই নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে।
ঘটনার পাঁচ দিন পর নিহতের মা সেতারা বেগম বাদী হয়ে লালমনিরহাট জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন—
১. মোঃ রবিউল ইসলাম (৩৪), পিতা—মৃত সোলেমান আলী।
২. রমিচা বেগম (৫২), স্বামী—মোঃ সোলেমান আলী।
৩. মোঃ সোলেমান আলী, পিতা—অজ্ঞাত।
৪. মোছাঃ জয়তুন নেছা (৪০), স্বামী—মোঃ সাইফুল ইসলাম।
৫. মোঃ আসাদুল (মেম্বার), পিতা—মৃত আঃ হক।
৬. রুস্তম মোহুরী, পিতা—আব্দুল রহমান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার মেয়ের পারিবারিক বিরোধ চলছিল এবং সেই বিরোধের জের ধরেই ঝুমুর আক্তারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, তাদের বাড়ি দূরে হওয়ায় ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে না পারার সুযোগ নিয়েই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে।
মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাসেল সিদ্দিকী ভুক্তভোগী পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, মামলার আসামিরা এখনো এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে করে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও হতাশা বাড়ছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঝুমুর আক্তারের মৃত্যুর সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হোক।


প্রশ্ন উঠছে—দেশে কি ঝুমুর হত্যার সঠিক বিচার হবে, নাকি অসহায় হয়ে অপেক্ষাই করে যেতে হবে তার পরিবারকে?

No comments found


News Card Generator