শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার সময় উপজেলা মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজ মোড়ে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সদরপুর উপজেলা শাখার আমীর দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. শাহ আলম এবং জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম পান্নু মৃধাসহ আরও অনেকে।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, "২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন হলেও রাষ্ট্রকাঠামোর কোনো পরিবর্তন হয়নি। আজ জুলাই গণভোট বাস্তবায়নে টালবাহানা শুরু হয়েছে। ১৮ কোটি মানুষের গণরায়কে উপেক্ষা করার চেষ্টা চলছে; কিন্তু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা বেঁচে থাকতে জুলাই সনদকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। প্রয়োজনে আবারও রক্ত দেব, কিন্তু জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেই, ইনশাআল্লাহ।"
বক্তারা আরও বলেন, "যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ সরকার দায়িত্বে এসেছে, তাঁরাই আজ অবহেলিত। আজ সংসদে বৈষম্য চলছে, রাজপথে বৈষম্য চলছে, অফিস-আদালতেও বৈষম্য চলছে। এই বৈষম্যের অবসানের জন্যই ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন হয়েছিল; কিন্তু এখনো কোনো বৈষম্যের অবসান হয়নি।"
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।