ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগের  পর টাকা ফেরত!..

Md Ubaydullah Rume avatar   
Md Ubaydullah Rume
ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগের  পর টাকা ফেরত!..
ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগের  পর টাকা ফেরত!..
উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ:
আঞ্চলিক ভাষায় পড়ুন:

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবির কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। একদিকে তীব্র লোডশেডিং ও মনগড়া ভুতুড়ে বিলের মারপ্যাঁচে অতিষ্ঠ জনজীবন। অন্যদিকে বিদ্যুৎ কর্মীরা ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী এক গ্রাহক গত ১৮জুন ঈশ্বরগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিউবোর আবাসিক প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

আবাসিক প্রকৌশলী বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার দত্তপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও নিয়মিত বিদ্যুৎ গ্রাহক মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ কর্মীদের অর্থ বানিজ্যের কবলে পড়েছেন। 

গত ২৫ মে বিকালে বিদ্যুৎ অফিসের নিয়মিত কর্মচারী লাইনম্যান এ.বি.এম কাইয়ুম, সাহায্যকারী সাইফুল ইসলাম এবং বহিরাগত ইলেকট্রিশিয়ান আল আমিন তারা তিনজন মিলে গ্রাহক মেহেদী হাসানের সঠিক বিদ্যুৎ লাইনটিকে বাইপাস করে দিয়ে নতুন করে সংযোগ চালু করে দেন।

এরপর তারা নিজেরাই সেই লাইনটিকে ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেন এবং আরই স্যার জানতে পারলে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করার ভয় দেখান। এই জরিমানা ও মামলার ভয় দেখিয়ে গ্রাহকের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে নিরুপায় ও আতঙ্কিত হয়ে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান তাদের ১২ হাজার ৫শ টাকা দিতে বাধ্য হন। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর তারা লাইনটি আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিয়ে চলে যান।

ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান জানান, এই টাকা লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে তার কাছে হোয়াটসঅ্যাপের ভয়েস রেকর্ড এবং মেসেজের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে। এই চক্রটি ওই এলাকায় আরো একাধিক নিরীহ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তিনি আরও জানান, আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী বরাবর অভিযোগ দেয়ার পর চক্রটি হাতিয়ে নেয়া টাকা ফেরত দিয়েছে। 

এব্যাপারে অভিযুক্ত লাইনম্যান এ.বি.এম কাইয়ুম জানান,  গ্রাহকের কাছ বিদ্যুৎ বিভাগের ২০ হাজার টাকা বকেয়া বিল ছিল। বকেয়া টাকা আনতে গেলে গ্রাহক আমাকে নগদ ১২হাজার ৫শ টাকা দেয়। বাকী টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেয়া কথা। কিন্তু তা না করে আমার বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ করেছে।  

এবিষয়ে পিডিবি ঈশ্বরগঞ্জের আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর স্টাফদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করে গ্রাহককে ফেরত দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। 

খবরের সাথে চ্যাট করুন (AI Chat with the News)
Powered by AI
📋 ৩ লাইনে সারসংক্ষেপ
🔍 মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট
👥 প্রধান ব্যক্তি/পক্ষ
⚡ প্রভাব ও পরিণতি
AI Assistant
নমস্কার/সালাম! আমি এই সংবাদের বিবরণটি পড়েছি। এই খবরের যেকোনো তথ্য জানতে আমাকে প্রশ্ন করুন।
এআই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন (AI Satirical Cartoon)
Instant Caricature
Eye News Logo

সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।

No comments found


News Card Generator