ত্রিশাল রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হোসেন তাঁর মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে তিন ঘণ্টার জন্য মুক্তি পান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে তিনি জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো সময় তাঁর দুই হাতে হাতকড়া ছিল।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
পরিবারের সদস্যরা জানান, মায়ের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কামাল হোসেনকে অস্থায়ীভাবে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি স্বজনদের সঙ্গে মায়ের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানান এবং দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে নির্ধারিত সময় শেষে তাঁকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়।
স্বজনদের ভাষ্য, মৃত্যুর আগের রাতেও কামাল হোসেনের মা ছেলেকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরিবারের এক সদস্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা জানান, তিনি বারবার বলছিলেন, আমার কামাল খুবই সহজ-সরল মানুষ। ওকে তোরা বের করে আন। আমার কামালের ডায়াবেটিস আছে, ও কষ্টে আছে।
পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও হাতকড়া পরা অবস্থায় ছেলেকে মরদেহ বহন করতে দেখা তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা ছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কোন শর্তে প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্যও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি।
বাংলাদেশে বিশেষ পরিস্থিতিতে, নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু বা দাফনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাবন্দিদের সীমিত সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তির বিধান রয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও শর্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।