বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের উত্তর বাউরগাতি গ্রামে গত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ৬৫ বছর বয়সী জালাল শিকদার শিশুটিকে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত জালাল শিকদার কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও ঘটনার দুই দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও অভিযুক্ত জালাল শিকদারকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যা স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত জালাল শিকদার এলাকা ত্যাগ করায় প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও তার নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ধরনের জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব যেন তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত না করে, সেদিকে প্রশাসনকে কঠোর নজর রাখতে হবে।
এই ধরণের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে এবং দ্রুত বিচারের স্বার্থে অভিযুক্ত জালাল শিকদারকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীরা। শিশু সুরক্ষায় ব্যর্থতা এবং অপরাধীর বিচারহীনতার সংস্কৃতি যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা সমাজে অপরাধ প্রবণতাকে আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ যদি অবিলম্বে এই মামলার রহস্য উন্মোচন ও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়, তবে সাধারণ মানুষের মাঝে বিচার ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যা সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।