খাঁন মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুর কোর্ট আদালতে বিচার বিভাগের ধীরগতির কারণে ভুক্তভোগী বাদী ও বিবাদীদের দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার বিচার পেতে অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে, ফলে উভয় পক্ষ আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে এবং অনেকেই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুহুরী ও সংশ্লিষ্টদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের কারণে মামলার কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে। মামলা ফাইলিং করতে, তদন্ত প্রতিবেদন পাঠাতে, ওয়ারেন্টের কাগজ পাঠাতে চাঁদা স্বরূপ টাকা দিতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে বলেও তারা মনে করছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পেশকার কক্ষে মামলা সংক্রান্ত তথ্য জানতে গেলে অনেক সময় পক্ষ-বিপক্ষকে সঠিক তথ্য না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ফেরত পাঠানো হয়। এতে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে ভুক্তভোগীরা সঠিক ধারণা পান না। ভুক্তভোগীদের দাবি, ২৭ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে এক ভুক্তভোগী বাদী মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে গেলে দিনাজপুর আমলী আদালতের এক পেশকারের কাছে মামলার তদন্তের প্রতিবেদন, ওয়ারেন্টের কাগজ সময় মত না দেওয়ায় বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় ওই পেশকার ক্ষিপ্ত হয়ে ওই বাদীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, আদালত প্রাঙ্গণে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও এ ধরনের ঘটনায় যথাযথ নজরদারির অভাব রয়েছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বাদী-বিবাদী ও সাধারণ জনগণ রংপুর বিভাগীয় ডিআইজি, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং কোর্ট পরিদর্শক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিনে তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



















