close

লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!

বিপ্লবীদের রক্ত ঝরিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর ষড়যন্ত্র সফল হবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে জাতীয় পার্টিকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন,..

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত এই অভিযোগ ও হুঁশিয়ারি প্রকাশ করেন।

তিনি লিখেছেন, “শুরুটা হয়েছিল রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা দিয়ে, যে পরিকল্পনা আমি ১১ মার্চ প্রকাশ করি। সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হলেও ষড়যন্ত্রকারীরা থামেনি। এবার তারা জাতীয় পার্টিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।”

হাসনাত আরও বলেন, “ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে জাতীয় পার্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের এই খেলায় প্রথম রক্ত দিলেন আমাদের নূর ভাই। এখন যদি আমরা নুরুল হক নূরের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ না করতে পারি, জাতীয় পার্টিকে দিয়ে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর এই প্রচেষ্টা রুখতে না পারি, তাহলে গোটা বাংলাদেশই আবার রক্তাক্ত হয়ে উঠবে।”

তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, “নুরুল হক নূরের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। ভারতের প্রেসক্রিপশনে বিপ্লবীদের রক্তাক্ত করে আওয়ামী লীগ ফেরানোর এই চেষ্টা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।”

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর বিজয়নগরে আল রাজী টাওয়ারের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের (গাপ) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও লাঠিচার্জ চালায়। এসময় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

প্রাথমিকভাবে আহতদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত নুরুল হক নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তর করা হয়।

গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে। তারা বলছে, জাতীয় পার্টিকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে কাজ করছে।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টির নেতারা দাবি করেছেন, উসকানিমূলক আচরণের কারণে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তাদের কর্মীরাও আহত হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতিকে কোণঠাসা করার প্রক্রিয়ায় সংঘর্ষের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। ভারতের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে নানা তত্ত্ব শোনা গেলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রমাণিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তাদের মতে, এ ধরনের সহিংসতা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

No comments found