জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় ভারত থেকে আমদানি করা সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চালের একটি বড় চালানে ব্যাপক জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে চালের মান অত্যন্ত নিম্নমানের ও পচা হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙরে থাকা জাহাজ থেকে চাল খালাস আটকে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ জাহাজে থাকা বাকি সাড়ে ৮ হাজার টন চাল কোনো অবস্থাতেই গ্রহণ করা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগে ব্যাপক তোলপাড় চলছে
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
অভিযোগ উঠেছে, অসাধু চক্রের যোগসাজশে ভারতীয় ‘অ্যাগ্রো কর্পস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এসব নিম্নমানের চাল সরবরাহ করেছে দেশে চালগুলোর লোকাল শিপিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে ‘সেভেন সী’স শিপিং লাইন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালের মান পচা ও নিম্নমানের হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবহণ ঠিকাদাররা চাল খালাস ও পরিবহণ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছেন বিভাগীয় পরিবহণ ঠিকাদার সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জালিয়াতি করে খারাপ চাল আনার মূল দায় শিপিং এজেন্টের, তাই চাল খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন এ বিষয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী জানান, নমুনা পরীক্ষার পর খালাস শুরু হলেও চালে ত্রুটি ধরা পড়ার পর তা অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বর্তমানে খাদ্য বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিনে জাহাজে গিয়ে চালের মান পরীক্ষা করছে বিধিবহির্ভূত কোনো নিম্নমানের চাল সরকারি গুদামে গ্রহণ করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দপ্তরটি
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।