বাউফলে সরকারি যাত্রীছাউনি দখল, জনগণের আশ্রয়স্থল এখন নেতার ব্যক্তিস্বার্থে..

Hujaifa Islam avatar   
Hujaifa Islam
বাউফলে সরকারি যাত্রীছাউনি দখল, জনগণের আশ্রয়স্থল এখন নেতার ব্যক্তিস্বার্থে..
বাউফলে সরকারি যাত্রীছাউনি দখল, জনগণের আশ্রয়স্থল এখন নেতার ব্যক্তিস্বার্থে..
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর চৌরাস্তার সরকারি যাত্রীছাউনি দখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. কাওছার। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ২০১..

 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর চৌরাস্তার সরকারি যাত্রীছাউনি দখল করে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. কাওছার দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীছাউনিটি জনসাধারণের জন্য ব্যবহার অনুপযোগী করে রেখেছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে কাওছার যাত্রীছাউনির ভেতরের বেঞ্চ খুলে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দোকানের কাস্টমারদের ব্যবহারের উপযোগী করে নেন। শুধু তাই নয়, যাত্রীদের জন্য নির্মিত ছাউনির টিনের চালও তিনি খুলে নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে স্থানীয় যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রীছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি সম্পূর্ণভাবে কাওছারের দখলে চলে গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ যাত্রীছাউনির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. কাওছার বলেন, “যাত্রীছাউনিটি আমার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গায়। ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলে আমি ওই জায়গাতেই ঘুরিয়ে দিয়েছি যাত্রীছাউনি।”

 

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

কেশবপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাজাহান গাজী বলেন, “যাত্রীছাউনি ভেঙে ঘুরিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। ওখানে হাত দেওয়ারই কোনো সুযোগ নেই। ইউএনও স্যার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমার মনে হয় না।”

No se encontraron comentarios


News Card Generator