লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি’র ফলাফলে মোয়েরাই এগিয়ে  ..

Ali Sohel avatar   
Ali Sohel
লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি’র ফলাফলে মোয়েরাই এগিয়ে  ..
লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি’র ফলাফলে মোয়েরাই এগিয়ে  ..
ছবি: সংগৃহীত

****

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় এক অনন্য গৌরব অর্জন করেছে। বিদ্যালয়টি থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। গোল্ডেন জিপিএ-৫ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই মেয়ে। নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় এই বিশেষ সাফল্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। 

গত ১০ আগস্ট ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ১৩০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে এবং পাশের হার ৭০.৭৭ শতাংশ। পুরো বিদ্যালয় থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ ও জিপিএ-৫ পাওয়া ৬ জন শিক্ষার্থীই মেয়ে।

গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা হলো- নূরে জান্নাত ইভা, নুসরাত আলম জামিয়া, মোছা. সানজিদা ইসলাম, মোছা. তাসমিয়া বাশার ও মোছা. জান্নাত আক্তার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হলো মোছা. নাবিলা আক্তার।

বিদ্যালয়ের এই ফলাফলে দারুণ উচ্ছ্বসিত লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন (খোকন)। তিনি বলেন, "এ অর্জন কেবল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একার নয়। এটি আমাদের সকল শিক্ষক-কর্মচারী, পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, অভিভাবক এবং সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের যৌথ প্রচেষ্টার ফসল।" তবে মেয়েদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন ছেলে শিক্ষার্থীও গোল্ডেন জিপিএ-৫ কিংবা জিপিএ-৫ পাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তাদের ফলাফল কেন এমন হলো ঠিক বুঝতে উঠতে পারছিনা। অভিভাবকরা যদি দ্বায়িত্ব সহকারে ফলাফল নিয়ে চ্যালেন্স করেন তা হলে হয়তো ভালো কিছু আশা করা যাবে। আগামীতে ছেলে-মেয়ে সমান ভাবে এগিয়ে যাবে আশা করছি। আগামী দিনেও এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে, বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি ও তাদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যালয়টির এই ধারাবাহিক সাফল্য ভবিষ্যতে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

উল্লেখ্য, এ বছর কুলিয়ারচর উপজেলার ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,৭৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে ১,১১৫ জন পাশ করেছে এবং গোল্ডেনসহ জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৫২ জন শিক্ষার্থী।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator