দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ..

Abdussattar avatar   
Abdussattar
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ..
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ..
ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড হয়েছে। এবার এ বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ ..

 

 

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড হয়েছে। এবার এ বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থী।

ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায় বরাবরের মতো এবারও ছাত্রদের তুলনায় ভালো করেছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, বিপরীতে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ১০ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে পাসের হার। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। এবার তা আরও কমে ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৯৪ জন। এর মধ্যে সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৫২ জন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন সামগ্রিকভাবে পাসের হার কমলেও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা, নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ এবং দুর্বল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে আগামীতে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বোরহান উদ্দিন বলেন গুণগত মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের কারণে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডেও পাসের হার কমেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই পরীক্ষা ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

Walang nakitang komento


News Card Generator