কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৩ লাখ টাকার চোরাই মোবাইল উদ্ধার.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৩ লাখ টাকার চোরাই মোবাইল উদ্ধার..

Md Minhajul Islam avatar   
Md Minhajul Islam
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৩ লাখ টাকার চোরাই মোবাইল উদ্ধার..
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৩ লাখ টাকার চোরাই মোবাইল উদ্ধার..
ছবি: সংগৃহীত

ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এক যুবক আটক।

মোঃ মিনহাজুল ইসলাম 

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর যৌথ অভিযানে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৫৫টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল রয়েছে।আটক এনামুল হক অন্তর উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইলগুলো এনামুলের হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে লুকানো ছিল। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিলাই ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চোরাই মোবাইল বিক্রির জন্য পরিচিত ছিল। রংপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল কিনে নিয়ে যেতেন। সীমান্তবর্তী ভারতের বিভিন্ন স্থানে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল একটি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসতো। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, "আসাদমোড় এলাকায় মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। বিজিবির সহায়তায় সুপরিকল্পিতভাবে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।"এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামান। এছাড়া কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধীন ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। এই অভিযান চোরাচালান প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশা করছে, এই ধরনের অভিযান চোরাচালান বন্ধ করতে সহায়ক হবে এবং চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কমাবে। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা আরও সুদৃঢ় হবে। স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসন এই ধরনের যৌথ অভিযানের প্রশংসা করেছে এবং আশা করছে যে এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে আরও অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সীমান্ত অঞ্চলে চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।ট্যাগস: কুড়িগ্রাম, চোরাচালান, মোবাইল, পুলিশ, বিজিবি

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator