Sumon Hawlader | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Calção
প্রগতিস্মরণি রোডের জে ব্লকে এমআরটি–১ ইউটিলিটি হস্তান্তর প্রকল্পের কাজে রাস্তা খনন করা হলেও বহু স্থানে বেষ্টনী ভেঙে পড়েছে বা একেবারেই নেই। চোখে দৃষ্টি থাকা মানুষ ঝুঁকি বুঝে এড়িয়ে চলতে পারলেও দৃষ্টিহীন মানুষের জন্য এসব খোলা গর্ত নীরব মৃত্যু-ফাঁদ। এমনই এক অবহেলার শিকার হয়ে খননের গর্তে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক অন্ধ ব্যক্তি। প্রশ্ন উঠেছে—এই দুর্ঘটনার দায়ভার নেবে কে? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নাকি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন?
ভিপি নুর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন—গণঅধিকার পরিষদের নামে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, লুটপাটে নামে, তবে তার বিচার করবে জনগণ নিজেই। দরকার হলে বেঁধে রাখবেন, রেহাই নেই।
একজন স্বৈরশাসকের বিদায় শুধু শুরু—তার দালালদেরও বিদায় নিশ্চিত।
শেখ হাসিনা আজ পালিয়েছে, মাথা নিচু করে, নিজেরই পাপের ভার নিয়ে।
আর যারা তার ছাত্রদলের নাম দিয়ে মানুষ পেটায়, ক্যাম্পাস দখল করে, তাদেরও পালানোর সময় ঘনিয়ে এসেছে। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।
এই দৃশ্য যেন পরিচিত ট্র্যাজেডি—প্রতিবারই বৃষ্টি নামলে একই দুর্ভোগ। জলাবদ্ধ রাস্তা, জ্যাম আর পথচারীদের অসহায়ত্বই যেন রাজধানীর বর্ষার চেনা গল্প।
বাড্ডার বাজারে প্রকাশ্যে এক নারীকে ঘিরে চুল ধরে মারধর করেন দুই নারী। ঘটনাটি ঘিরে ধোঁয়াশা, কেউ বলছে মোবাইল চুরি, কেউ বলছে পারিবারিক ঝামেলা। দেখুন ভিডিও।
১৮ মাস পার হলেও এক টাকাও মেলেনি বকেয়ার! বোর্ড গ্রুপের অধীন ৫টি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীরা অবশেষে রাজপথে। ছাঁটাই, মজুরি বঞ্চনা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তারা শ্রম ভবনের সামনে জড়ো হন। ‘দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলন’— এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শ্রম উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত এই শ্রমিকদের চোখে-মুখে এখন শুধুই প্রতিরোধের আগুন।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাথে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তথাকথিত ‘আবাসিক হোটেল’-এর বিজ্ঞাপন কার্ড। এতে রয়েছে মোবাইল নম্বরসহ কৌশলে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা। পথচারীদের বিরক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ বাড়ছে।
তাবিজ, হাড়, শেকড় আর বিশ্বাসে গড়া এক রহস্যঘেরা ব্যবসা
সড়কে বসেছে হাট, ফুটপাতে নেই পথচারীর ঠাঁই—যানজটের নগরে পরিণত হচ্ছে বাড্ডা। অথচ কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শক।
নগরের প্রতিটি ব্যস্ত সড়কে এখন যেন গণপরিবহনের দখলদারি যুদ্ধ। কোথাও রুটে না থেকেও বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছে, আবার কোথাও বাসগুলো রীতিমতো রেসে নামা প্রতিযোগীর মতো চলছে—ফলে সৃষ্টি হচ্ছে দুর্ঘটনা, ভোগান্তি ও ভয়াবহ যানজট।
সোহরাওয়ার্দী আজ জনতার ঢেউয়ে ভেসে যাচ্ছে—চোখে স্বপ্ন, মুখে আওয়াজ।
রাজধানীর গলি-প্রান্ত পেরিয়ে লাখো মানুষ ছুটে এসেছে—কণ্ঠে স্লোগান, চোখে জ্বলন্ত প্রত্যয়। উদ্যানজুড়ে এখন শুধুই জনতার উত্তাল ঢেউ।
রাজধানীর প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ঢলে পড়ছে এখানে—পায়ে হেঁটে, রিকশায়, বাসে। স্লোগানে মুখর চারদিক, উত্তাল আবেগে দুলছে উদ্যান। সোহরাওয়ার্দী হয়ে উঠেছে জাতির স্পন্দন।
এই শহরে যত অন্যায়, যত বেয়াদবি, যত বেপরোয়া আচরণ—সবকিছুর একটা চলন্ত প্রতীক আছে, তার নাম লোকাল বাস।
