মোঃ আতিকুর রহমান ইশতি | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

   Ultimi video

স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বরগুনার জেলা প্রশাসক মিজ্ তাছলিমা আক্তারসহ জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। বুধবার শ্রাবণের বৃষ্টিস্নাত এক দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে নির্মিত ক্রোক খাল পাড়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে পূবালী ব্যাংক পিএলসির অর্থায়নে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় ---

বরগুনায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস: সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা ও টেকসই অর্থনীতি

আতিকুর রহমান ইশতি (বরগুনা প্রতিনিধি) :
"উন্নত পল্লী ও সমৃদ্ধ দেশ" গড়ার প্রত্যয়ে বরগুনায় পালিত হলো "জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬", যেখানে সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

উন্নত পল্লী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরগুনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল "উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ"। জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সালেহ ফারুকসহ স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, সিনিয়র সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন। মূলত গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি এবং পল্লী উন্নয়নের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সুফল কীভাবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়, তার একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সফল উদ্যোক্তা ও উপকারভোগীরা পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন। তৃণমূল পর্যায়ে যারা প্রতিকূলতা জয় করে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন, তাদের এই স্বীকৃতি প্রদান করার মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও উদ্যোক্তারা জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিতে পুঁজির অভাব এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা এখনো বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আরও দ্রুত সচল হবে। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননাপ্রাপ্তরা জানান, সরকারি সহায়তা যদি নিয়মিত এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তবে বরগুনার মতো উপকূলীয় জনপদের বেকার সমস্যা অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব। তাদের মতে, কেবল সম্মাননা নয়, বরং টেকসই ব্যবসা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি সহযোগিতা ও বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষি, মৎস্য ও সমবায় খাতের উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগই পারে পল্লী উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তন্ময় বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায়, সিভিল সার্জন ড. মোহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রধানরা পল্লী উন্নয়নে নিজ নিজ দপ্তরের ভূমিকা তুলে ধরেন। বিআরডিবি বরগুনার সহকারী পরিচালক আবু তালেব জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সংস্থাটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।


অনুষ্ঠানে মোট ২ জন উপকারভোগীর মাঝে ২ লাখ টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়, যা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক মূলধন হিসেবে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিআরডিবির সমন্বয়ে কৃষি ও মৎস্য খাতের আধুনিকায়নে যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। এছাড়াও জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে
বরগুনায় উদ্দ্যেক্তাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা নিজ হাতে বিতরণ করেন উক্ত অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বরগুনা'র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস।

পরিশেষে, জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের এই কর্মসূচি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বরগুনার গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তনের একটি বার্তা বহন করে। নানা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আম গাছের চারা বিতরণ করার মাধ্যমে উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি সমন্বিত বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করবে। ভবিষ্যতে যদি এই ঋণের সঠিক ব্যবহার এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যায়, তবেই বরগুনার পল্লী জনপদ প্রকৃত অর্থে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সঠিক তদারকি এবং উদ্যোক্তাদের মনোবল অটুট থাকলে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের মূল উদ্দেশ্য সফল হবে এবং বরগুনা জেলা জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আরও কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

বরগুনায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস: সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা ও টেকসই অর্থনীতি

আতিকুর রহমান ইশতি (বরগুনা প্রতিনিধি) :
"উন্নত পল্লী ও সমৃদ্ধ দেশ" গড়ার প্রত্যয়ে বরগুনায় পালিত হলো "জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬", যেখানে সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

উন্নত পল্লী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরগুনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল "উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ"। জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সালেহ ফারুকসহ স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, সিনিয়র সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন। মূলত গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি এবং পল্লী উন্নয়নের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সুফল কীভাবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়, তার একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সফল উদ্যোক্তা ও উপকারভোগীরা পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন। তৃণমূল পর্যায়ে যারা প্রতিকূলতা জয় করে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন, তাদের এই স্বীকৃতি প্রদান করার মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও উদ্যোক্তারা জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিতে পুঁজির অভাব এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা এখনো বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আরও দ্রুত সচল হবে। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননাপ্রাপ্তরা জানান, সরকারি সহায়তা যদি নিয়মিত এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তবে বরগুনার মতো উপকূলীয় জনপদের বেকার সমস্যা অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব। তাদের মতে, কেবল সম্মাননা নয়, বরং টেকসই ব্যবসা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি সহযোগিতা ও বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষি, মৎস্য ও সমবায় খাতের উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগই পারে পল্লী উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তন্ময় বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায়, সিভিল সার্জন ড. মোহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রধানরা পল্লী উন্নয়নে নিজ নিজ দপ্তরের ভূমিকা তুলে ধরেন। বিআরডিবি বরগুনার সহকারী পরিচালক আবু তালেব জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সংস্থাটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।


অনুষ্ঠানে মোট ২ জন উপকারভোগীর মাঝে ২ লাখ টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়, যা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক মূলধন হিসেবে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিআরডিবির সমন্বয়ে কৃষি ও মৎস্য খাতের আধুনিকায়নে যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। এছাড়াও জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে
বরগুনায় উদ্দ্যেক্তাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা নিজ হাতে বিতরণ করেন উক্ত অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বরগুনা'র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস।

পরিশেষে, জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের এই কর্মসূচি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বরগুনার গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তনের একটি বার্তা বহন করে। নানা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আম গাছের চারা বিতরণ করার মাধ্যমে উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি সমন্বিত বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করবে। ভবিষ্যতে যদি এই ঋণের সঠিক ব্যবহার এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যায়, তবেই বরগুনার পল্লী জনপদ প্রকৃত অর্থে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সঠিক তদারকি এবং উদ্যোক্তাদের মনোবল অটুট থাকলে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের মূল উদ্দেশ্য সফল হবে এবং বরগুনা জেলা জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আরও কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

কমিউনিটি পর্যায়ে পুলিশ সার্ভিস ডেক্স সেবা বিষয়ক সচেতনতা সভায় বক্তব্য রাখছেন বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১০ নং নলটোনা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান মাহফুজ।

বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে গরুর সঙ্গে অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এক মানবাধিকার কর্মী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনর পক্ষ থেকে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নারী দিবসে সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ তাছলিমা আক্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মোঃ নুরুল ইসলাম মনি।

বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ তাছলিমা আক্তার নিজ হাতে ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি পরিবারের মাঝে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করেন-
চেক, শীত নিবারণের জন্য কম্বল এবং ক্ষুধা নিবারণের জন্য শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের সাজানো অভিযোগের গ্লানি থেকে অবশেষে মুক্তি পেলেন ডাঃ সানজিদা তাবাসসুম স্বর্ণা (২৬)।

রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই গণমাধ্যম—দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার–এর প্রধান কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে একদল বিক্ষুব্ধ লোক এই হামলা চালায়,

লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা বঙ্গোপসাগরের মোহনার এক স্বপ্নিল সৈকত—বরগুনার পাথরঘাটার রুহিতা বিচ। ঢেউ আর বনভূমির অনন্য সমন্বয়ে অপরূপ এই স্থানে প্রকৃতি যেন দুই রূপে সাজিয়ে রেখেছে তার সৌন্দর্য। একদিকে উত্তাল সাগরের আছড়ে পড়া ঢেউ, অন্যদিকে নিরিবিলি প্রাকৃতিক বন, আর সেই সঙ্গে সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়ের মনোহরা দৃশ্য—সব মিলিয়ে রুহিতা এখন পর্যটনের নতুন ‘হটস্পট’।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণপিপাসু মানুষের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদেরও দেখা মিলছে এখন এই বিচে। ফলে পর্যটন মানচিত্রে রুহিতার নাম ক্রমেই জ্বলজ্বল করছে নতুন পরিচিতি নিয়ে।

দীর্ঘদিন অপরিচিত থাকা এই স্থানের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন বরগুনা জেলা প্রশাসন ও পাথরঘাটার ইউএনও মিজানুর রহমান। মানুষের আগ্রহ, পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় অল্প সময়েই রুহিতা বিচ ব্যাপক পরিচিতি পায়।

ইতোমধ্যে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রশাসক। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রত্নভান্ডার

রুহিতা বিচ শুধু সৌন্দর্যের গৌরব নয়, এটি জীববৈচিত্র্যেরও সমৃদ্ধ ভান্ডার। এখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, অতিথি পাখি ও বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর বিচরণ।

স্থানীয়দের মতে, রুহিতার সৌন্দর্য শুধু চোখে নয়, অনুভবেও লাগে—এটি প্রকৃতির বিশুদ্ধ অনুপ্রেরণা।

*বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস ২০২৫* উপলক্ষে _সঞ্চিত স্বপ্ন মহিলা সংস্থা, উপকূলীয় উন্নয়ন সংস্থা (সিডিও)_ , বরগুনা এবং _ডিজএবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এডুকেশন ফাউন্ডেশনের_ যৌথ উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়,

সৎ চাচার সঙ্গে কোর্টে মামলা চলমান তবুও হা/ম/লা/র শিকার হন কোর্ট থেকে বাড়ি ফেরার পথে, গতকাল মাছ বাজার ব্রিজের উপরে ৮/১০ জন তাকে প্রকাশ্যে যব ভা*য়ো*লেন্স করেন কিছু যুবক, এই নিয়ে ৩য় বারের মতো হা/ম/লা/র শিকার হন ভূক্তভোগী

বরগুনার ঢলুয়াতে ২-গ্রামের শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নজরুল ইসলাম মোল্লার হাত ধরে বিএনপিতে যোগদান,

বরগুনায় আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত।

বরগুনা ১ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী জননেতা নজরুল ইসলাম মোল্লা বরগুনা পৌর শহরে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ করেন এবং ধানের শীষে ভোট চান।

বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান দিবসে সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী সমবায় দলের ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা জাতীয় প্রেস ক্লাব ১৫ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া বড় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকে, ফলে চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জানানো সত্ত্বেও স্থায়ী মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী সমবায় দলের ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা-
জাতীয় প্রেস ক্লাব- ১৫ অক্টোবর ২০২৫

কুয়াকাটার বাইরেও বরগুনায় সমুদ্রসৈকতের অপার সম্ভাবনা-
দক্ষিণ উপকূলজুড়ে রয়েছে পর্যটনের অফুরন্ত সম্ভাবনা। তবে দেশের মানুষ এখনো শুধু কুয়াকাটাকেই চেনে। অথচ এই কুয়াকাটার পাশেই বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলায় ছড়িয়ে রয়েছে আরও অন্তত চৌদ্দটি সমুদ্রসৈকত। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি রয়েছে বরগুনা জেলায়, যেগুলো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য হলেও এখনো পড়ে আছে অবহেলায়।বরগুনার তালতলী উপজেলার নিদ্রার চর সৈকত সম্প্রতি পর্যটকদের নজর কাড়ছে। তিন নদীর মোহনায় অবস্থিত এই সৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাজি, যা চট্টগ্রামের গুলিয়াখালির মতো পর্যটকদের কাছে ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছে। সড়ক পথে তালতলী হয়ে কিংবা কুয়াকাটা থেকে স্পিডবোটে পৌঁছানো যায় এখানে। তবে নেই কোনো আবাসন ব্যবস্থা, ফলে পর্যটকদের থাকতে হয় উপজেলা শহরের হোটেলেই।বরগুনার পাথরঘাটার হরিনঘাটা বনাঞ্চল ও সমুদ্রসৈকত ঘিরেও পর্যটন উদ্যোগের চেষ্টা হয়েছিল। তবে ওয়াকিং ট্রেইল আর ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ হলেও তা আজ অযত্নে পড়ে আছে। গেস্ট হাউজগুলোও অচল অবস্থায়। স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফুর রহমান বলছেন, “বরগুনা হতে পারে পর্যটনের নতুন গন্তব্য। জঙ্গল, নদীর মোহনা আর সমুদ্র সবই আছে এখানে। শুধু সঠিক উদ্যোগের অভাবে সবকিছু থমকে আছে।আশপাশের রাঙ্গাবালী, চরফ্যাশন, এমনকি কুয়াকাটার সন্নিকটে গঙ্গামতি, লেম্বুর চর ও চরবিজয়ের মতো সৈকতও রয়েছে। তবে একক কোনো সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় দেশের ভেতরে ও বাইরের পর্যটকদের কাছে এখনো অজানাই রয়ে গেছে এসব স্থান।

Mostra di più