ঠাকুরগাঁওয়ে চললো অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট
Shorts Lumikha
কচুয়া উপজেলা জামায়েত নেতৃবৃন্দের সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কচুয়া বিশ্বরোডস্থ জামায়াত ইসলামীর কার্যালয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির এডভোকেট আবু তাহের মেজবার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল।তিনি তার বক্তব্য বলেন, সবাই মিলে আমরা সবাই মিলে মাদক সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত কচুয়া গড়তে চাই। কচুয়ার রাস্তাঘাট পুল কালভার নির্মাণ সহ সামাজিক আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখতে চাই। সাংবাদিক বন্ধুরা আমাদের কাজে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি জামায়াত নেতা প্রভাষক এমদাদুল্লাহর পরিচালনায় পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ৩ নং বিতারা ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মুফতি মাসুম বিল্লাহ মাদানী, কচুয়া প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি আলমগীর তালুকদার প্রামুখ। মত বিনিময় সভায় সকল সাংবাদিকদের কে ঈদ উপহার পাঞ্জাবি তুলে দেন কচুয়া জামাত ইসলামের নেতৃবৃন্দ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা ও প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৩ ব্যাচের টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজকে সন্ত্রাসীরা ছুরি আঘাতে হত্যা করা হয়।
ছাত্রদল নেতা পারভেজের হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিন্তের দাবিতে । সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের মানববন্ধন!
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।




