close

ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!

Shorts News Create

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ঈদের পরের দিন থেকে পর্যটকদের আগমনে ব্যবসা বাণিজ্য চলবে জমজমাট সবার একই মত

Liton Das

0

0

8

⁣আমতলীর গোজখালীতে পাঁচ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই, আনুমানিক ২০ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ
জেলা প্রতিনিধি বরগুনা।।

MD .KHALED MOSHARRAF SHOHEL

0

0

4

⁣হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্তে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) টহল জোরদার ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

Nahid Hasan

0

2

18

⁣ধ র্ষণ নিপীড়ন এর সংখ্যা প্রায় ১৫০ ছাড়িয়ে

Mamun Sorder

0

0

30

⁣রাজনৈতিক অঙ্গনের দুঃসময় রাজপথের বীর সৈনিকের এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ,
ঝিনাইদহ৪ কালিগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা জননেতা, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কেন্দ্রীয় সংসদ,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদকদক জননেতা জনাব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ভাইয়ের, মনোনয়ন হোল্ড করে অতিথি পাখির আগমনের আভাসে,লাখো জনতা রাজপথে নেমে প্রতিবাদ সভা ও গণ মিছিলের আয়োজন করে!বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ে নেতা কর্মীও নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত থাকেন!
ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। জনতার ঢল। কালিগঞ্জে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ঝিনাইদহ ৪ আসনের গণ মানুষের নেতা মেহনতি মানুষের নেতা কালিগঞ্জ বাসির প্রাণপ্রিয় নেতা ,মোঃ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। রেলিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করেন, প্রদর্শন শেষ দলীয় কার্যালয়ে এসে রেলিটি শেষ হয়!

IBRAHIM SHEAK

0

0

1

⁣গতকাল সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব খাইরুল হক সাহেবের মামলার শুনানির এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের ডিএজি এডভোকেট রাসেল কোর্টকে ধমকের সুরে জানান— “আজ শুনানি হবে না, এক সপ্তাহ পরে করতে হবে।”

এ সময় খায়রুল হক সাহেবের পক্ষের আইনজীবীগণ— কামরুল হক সিদ্দিকী, মহসিনুর রহমান, জেড আই খান পান্না, এম কে রহমান, মনসুরুল হক চৌধুরী, মঞ্জিল মোর্শেদ প্রমুখ আপত্তি জানিয়ে বলেন— “আপনি কোর্টকে ডিকটেট করতে পারেন না, আপনার সাবমিশন দিতে পারেন।”

ঠিক তখনই এজি জসিম, ইব্রাহিম খলিল, উজ্জ্বলসহ কয়েকজন বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে উঠে বিচারপতির সামনেই আইনজীবীদের ওপর চড়াও হন। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তা, এমনকি আইনজীবী বেলায়েত হোসেনকে মারধোর পর্যন্ত করা হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বিচারপতি বাধ্য হয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী রবিবার ধার্য করেন।

এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়— রাষ্ট্রপক্ষ আগে থেকেই কিছু “আইনজীবী” নামধারী মব সন্ত্রাসী নিয়োগ দিয়েছে, যাদের ভয়ে সাধারণ আইনজীবী থেকে শুরু করে বিচারপতিরাও হামলা ও হেনস্তার শঙ্কায় থাকেন। ইতিপূর্বে বিচারপতিকে ডিম নিক্ষেপ ও এজলাস ভাঙচুর-এর ঘটনাও ঘটেছে। এখন তো প্রকাশ্য আদালতে সিনিয়র আইনজীবীরাও নিরাপদ নন।

বর্তমানে বিচারালয়ে বিএনপির এই অসভ্য আচরণই বলে দেয় কেন এদেরকে এতদিন কড়া শাসনে রেখেছিলেন শেখ হাসিনা!
এস.এম হাসিবুল হাসান হাদী
আই নিউজ বিডি

HasanHadi

0

0

5