রাতের ঢাকা শহর
شلوار کوتاه ایجاد کردن
যশোরের নরেন্দ্রপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দা'র-কোপে নারী সহকারী ২।
যশোর সদর দক্ষিণ নরেন্দ্রপুরের মোল্যাপাড়া-আমতলা এলাকায় জমি-জমা সংক্রান্ত স্থানীয় বিরোধিতা জেরে রক্তক্ষয়ী শক্তির প্রচার। ৬ আগস্ট সকাল সংঘটিত এই নারী সহ দুই জন আগামী আগস্টে যখম হয়েছে। অভিযোগ সম্বন্ধে, বিরোধলম্বল অস্ত্রের প্রতিকার প্রতিকতা করেন আবু বাশার মো. এনিয়ে তার ভাই মইনদীন মোল্লার সাথে দীর্ঘ রাত বাকবিতন্ডা হয়। পরদিন সোন্যাল এঁদের বাড়িতে বসাবসির সময় উত্তরেজনা রিপোর্টে বার্তায়। একপর্যায়ে বাশার মোল্লার ছেলে লোকমান মোল্যার বাড়িতে এসে ধারালো দা দিয়ে তার ছোট চাচি মাহফুজা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে। স্বর্গ চাচাতো ভাই সোহেল রানা'কেও কোপ তার একটি আঙ্গুল পড়ে যায়। রক্ষকারী সংঘের খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যা দ্রুত উত্তর প্রকাশয়। পুলিশ যুদ্ধক লোকমান শার্ও তার বাবা আবুল বাকে ইন্সটিট করেছে। নেতাদের যশোর সদর পরিস্থিতি গঠন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন, তবে পুলিশ প্রশাসন বলেছে পুলিশ।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক চাল ব্যবসায়ীকে তার নিজ দোকানের ভেতর নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর লাশ দোকানের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে শাটার বন্ধ করে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বগার বাজার চৌরাস্তায়।
নিহত সুসেন চন্দ্র সরকার (৬২) উপজেলার সাউথকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বগার বাজার চৌরাস্তায় ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি চালের আড়তের মালিক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুসেন চন্দ্র সরকারকে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে দোকানে গিয়ে শাটার খুলে ভেতরে সুসেন চন্দ্র সরকারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছেলে সুজন সরকার জানান, তাদের দীর্ঘদিনের চালের ব্যবসায় কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। হত্যার পর দোকান থেকে কয়েক লাখ টাকা লুট করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান পরিবার।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।




