প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এটি কোন এক জায়গার ধ্বংসাবশেষ।

Korte broek Opprett

প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এটি কোন এক জায়গার ধ্বংসাবশেষ।

আশুলিয়ার জামগড়া এই রাস্তা দেখে যে কেও মনে করতে পারে এটি কোন এক জায়গার ধ্বংসস্তূপ, কিন্তু আসলে এটি একটি রাস্তা। যা কিনা এইখানের মানুষ এর ভোগান্তির অন্যতম কারণ।

Md Abir Hasssn

0

0

22

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোকান উচ্ছেদ।

⁣জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক অফিসিয়াল নোটিশ অনুযায়ী, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সন্মুখে অবৈধভাবে বসানো দোকানগুলো উচ্ছেদ করার কাজ বাস্তবায়িত হয়। উচ্ছেদের উদ্দেশ্য ছিল হাসপাতালের সামনের ফায়ার লেন এবং জন চলাচলের পথ পরিষ্কার রাখা ।

Jabed Hossain

0

0

12

সেই বিষয়ে বললেন পরিবেশ উপদেষ্ঠা রেজোয়ানা - Made with Clipchamp

⁣সেন্টমার্টিনে কেন রাতে থাকা যাবে না সেই বিষয়ে বললেন পরিবেশ উপদেষ্ঠা রেজোয়ানা ।
⁣পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন যে সেন্টমার্টিনে রাতের বেলা থাকা যাবে না কারণ সেখানে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটকের যাতায়াত, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ, দূষণ এবং অসচেতন আচরণের কারণে দ্বীপের প্রতিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রবাল ধ্বংস হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যা দ্বীপের দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।

Mahamud Mithu

0

0

4

VID_20250424_121344

ভেঙ্গে ফেলা হলো খুলনা বিএল কলেজ মুজিব ম্যুরাল

MD SHOFIQUL ISLAM Islam

1

0

24

ফরিদপুরের ভাইরাল জায়গা

ফরিদপুর সদর উপজেলার ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে অবস্থিত বিএডিসি কৃষি ফার্ম

মো: সৈকত হাসান, ফরিদপুর

0

0

16,871

SM MIZANUR RAHMAN MIZAN

জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ স্থায়ীভাবে বাতিলের সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও বঞ্চনার কথা জানিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি। মানুষের ভালোবাসা ও ভোটে নির্বাচিত হয়েও সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সবকিছুরই শেষ আছে। হয়তো আজ আমার সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেল। উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ বাতিলের মাধ্যমে একটি জনসেবার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে যারা রয়েছেন, তাদের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই রইলো দোয়া ও ভালোবাসা।
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং এই পরিচয় নিয়েই সাধারণ মানুষের দুয়ারে গিয়েছেন। মানুষ আমাকে ভালোবেসে তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি মানুষের জন্য কাজ করতে এবং আমৃত্যু সেবায় নিয়োজিত থাকতে চেয়েছি, যোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণ যখন আমাকে আপন করে নিয়েছে, তখন রাষ্ট্র কেন আমাদের এই সেবার সুযোগ কেড়ে নিল?
সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের প্রতি অবহেলা ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো অনেকেই অবজ্ঞার সুরে প্রশ্ন করেন হিজড়া জনগোষ্ঠী কি মানুষ? এর জবাবে তিনি বলেন, আমরাও রক্ত-মাংসের মানুষ। আমাদেরও স্বপ্ন, মেধা ও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা আছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সমাজে এই জনগোষ্ঠীর অনেকেই আজও রাস্তাঘাটে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের কষ্টের কথা শোনার মতো কেউ নেই। তাদের আর্তনাদ রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায় না। এই বিচারহীনতা ও অবহেলার শেষ কোথায়? প্রশ্ন তোলেন তিনি।
একজন জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি একজন বঞ্চিত মানুষ হিসেবে কথা বলছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের ঘর নেই, যাদের সমাজ স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠাবোধ করে, তাদের হাহাকার কি কোনোদিন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছাবে?
শেষে তিনি বলেন, তার অর্জিত পদটি হারালেও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা ও সাহস অটুট থাকবে। স্রষ্টা হয়তো অন্য কোনো পথে মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবেন। আমি মানুষের মাঝেই থাকবো এবং তাদের অধিকারের কথা বলে যাবো।

S.M Mizanur  Rahman Mizan

0

0

13