ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!
短裤 创造
বাহুবল নবীগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়ার উপর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীর হামলার প্রতিবাদে বাহুবল উপজেলা বিএনপির
সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামূল হত এনামের নেতৃত্বে তাৎক্ষণিক স্হানীয় মিরপুর বাজারে বাহুবল উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল।
এতে উপস্থিত ছিলেন ৬ নং মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, মুতাব্বির হুসেন, সহ-সভাপতি শাহ্ আলম
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহির মিয়া সাবেক,সভাপতি সালাউদ্দিন ফজল, আহাদ, কদর আলী, মুতাব্বির হুসেন, দরবেশ, বিল্লাত, এখলাস, ছালেক, হাফিজ, আব্দুল আলী, সাহেদ,
৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহেদ মিয়া, শরীফ
এনামুল হক টিসি,রাসেল, জসিম
দক্ষিণ যুবদল যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম
বাবলু মিয়া, সাদ্দাম, রুবেল মিয়া,
বাহুবল উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব
স্বপন তালুকদার,
বিভিন্ন ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
আলিফ সোবহান চৌধুরী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাকির আলম শাকিব
সিনিয়র সদস্য রুমান আহমেদ
যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ্ আলম
মাহবুব, মুসা, অনিক, তামিম, রাকিব, তারেক, সহ কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
৬নং মিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সহ ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
৬নং মিরপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিব মিয়া সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী।
মতলব উত্তরে বরোপিট দখল করতে এসে
বাড়ি ঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
শহিদুল ইসলাম খোকন :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরোপিট (ফিসারী) দখল করতে এসে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ৫ এপ্রিল দুপুরে উপজেলার গজরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়া প্রধান বাড়ি সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি বরোপিট আছে, যা এলাকার ৩০ জন লোক মিলে একটি সমিতি ঘটনা করে, ২০ বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করতো।
২০০৯ সালে ঐ লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে গনি প্রধান জোর করে সে একাই বরোপিট ভোগ করতো। কিন্তু ৫ আগষ্টেরপর আবার সবাই মিলে ঐ ৩০ পরিবার ভোগ করতে চাইলে গনি প্রধান তাতে রাজি হয়নি। এই নিয়ে গত ৭ মার্চ তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে স্থানীয়রা মিলে ঐ ৩০ পরিবারকে ভোগ করার সিদ্ধান্ত দেয়। গনি প্রধান স্থানীয়দের কথা অমান্য করে জোর করে আবার দখল, হামলা ও লুটপাট করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আলী আরশাদের ছেলে আনিছ প্রধান বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল শনিবার দুপুরে গনি প্রধান ও মামুন মনিরের হুকুমে,গনির ছেলে ছেলে রাহাত, জাহিদ, উত্তর লুধুয়ার আকাশ ও জিহাদ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন মিলে বরোপিটের সাইনবোর্ড ভেঙ্গে এবং আরশাদ আলীর ঘরে হামলা, ভাংচুর, মোবাইল, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটপাট করে।
আলী আরশাদের স্ত্রী জয়নব বেগম, তার ছেলে আনিছ ও মাহফুজ বলেন, গণি প্রধানের নির্দেশে তার দুই ছেলে রাহাত, জাহিদ, গজরার মামুন মনির ও উত্তর লুধুয়া থেকে লোক ভাড়া করে এনে আমাদের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা করে। ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে এবং ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়। ককটেল বোমা নিয়ে এসে আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং দুই বৃদ্ধ মহিলাকে মারধর করেছে।
এ বিষয়ে গনি প্রধান বলেন, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। পূর্বে আমি লিজ এনেছিলাম। বর্তমানে লিজ দেওয়া বন্ধ থাকায় নতুন করে লিজ আনতে পাড়িনি।
এ ঘটনার পর মতলব উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।




