شلوار کوتاه ایجاد کردن

সেচ্ছাসেবক দলের মিছিলে কর্মী কে লাথি দিলো বিএনপি নেতা

Amirul Islam joy

0

0

3

⁣ফ‌রিদগ‌ঞ্জে চাল নি‌য়ে ইউ‌পি প্রশাস‌নিক কর্মকর্তার চালবাঁ‌জি।

ভি‌জিএ‌ফের চাল নি‌য়ে চালবাঁ‌জি ক‌রে‌ছেন ফ‌রিদগঞ্জ উপ‌জেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউ‌নিয়‌নের প্রশাস‌নিক কর্মকর্তার গোলাম মোস্তফা শা‌মিম ।
ভি‌জিএ‌ফের চাল বিতর‌নের জন‌্য ইউ‌পি চেয়াম‌্যান, সদস‌্য, সংর‌ক্ষিত সদস‌্যদের সা‌থে আলাপ আ‌লোচনা নাক‌রে নি‌জেস্ব ক‌থিত বা‌হিনী দি‌য়ে কার্ড বিতরন করার গুরুতর অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে। শুধু নিজেস্ব বা‌হিনী দি‌য়ে কার্ড বিতরন ক‌রেই ক্ষান্ত্র হন‌নি ইউ‌পি স‌চিব মোস্তফা কামাল চাল বিতরন ও ক‌রে‌ছেন তার নি‌জেস্ব বা‌হিনী দি‌য়ে।
ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দের গ্রাম পু‌লিশ সদস‌্যরা জানান, আমরা সবাই থাকার পরও তি‌নি তার লোক দি‌য়ে সকল কিছু তদার‌কি ক‌রে‌ছেন। তি‌নিই (গোলাম মোস্তফা) সবাই‌কে কার্ড দি‌য়ে‌ছেন , কেউ কার্ড কে‌ড়ে নেয়‌নি।
নাম প্রকাশ নাকরার শ‌র্তে একা‌ধিক ইউ‌পি সদস‌্যরা জানান, স‌চিব তার নি‌জেস্ব বা‌হিনী দি‌য়ে প‌রিষদ প‌রিচালনা ক‌রে। প‌রিষ‌দে আমরা থে‌কেও নাই।
খোদ ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান আবু তা‌হের জানান , আ‌মি ফ‌্যা‌সিবা‌দের আম‌লে জনগ‌নের ভো‌টে নির্বা‌চিত চেয়ারম‌্যান। তারা আমা‌কে ভা‌লো‌বে‌সে জীব‌নের ঝুঁ‌কি নি‌য়ে চেয়ারম‌্যান নির্বা‌চিত ক‌রে‌ছেন। আ‌মি তা‌দের একটা ভি‌জিএ‌ফের একটা কার্ড দি‌তে পা‌রিনা। স‌চিব আমাকে নাজ‌া‌নি‌য়ে নি‌জে নি‌জে কাকে কিভা‌বে কি দি‌চ্ছে আ‌মি জা‌নিনা।
প্রশাস‌নিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শা‌মিম ব‌লেন, আমার টে‌বি‌লে সক‌লের সা‌থে আ‌লোচনা হ‌য়ে‌ছে। চেয়ারম‌্যান সকল বিষ‌য়ে অবগত হ‌য়ে সাক্ষর ক‌রে‌ছেন। তি‌নি আ‌রো ব‌লেন,
আমরা চাল বিতরন ক‌রে কার্ড সংগ্রহ কর‌তে‌ছি এমন সময়
সমন্বয়ক প‌রিচ‌য়ে মোস্তফা ১০‌টি কার্ড ছি‌নি‌য়ে নি‌য়ে যায় এবং হট্রগোল সৃ‌ষ্টি ক‌রে। এ‌বিষ‌য়ে মোস্তফা জানান, কার্ড ছি‌নি‌য়ে নেওয়ার বিষয়‌টি সম্পূর্ন‌্য মিথ‌্যা। উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার সুলতানা রা‌জিয়া ব‌লেন, বিষয়‌টি আ‌মি জে‌নে‌ছি তা‌দের সা‌থে কথা বলে ব‌্যাবস্থা নিব।

Abdul Kadir

0

0

32

⁣ফেনীর লেমুয়া,কেরনীয়ায় অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবার সরঞ্জাম উদ্ধার

Monsur Alam

0

0

9

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম সহ তাদের ক্যাডাররা। নিশংসভাবে ছাত্রদের উপর হামলা চালায়

(এস.এম আল আমিন হোসেন) স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা

2

1

33

⁣⁣মাত্র ১৮ বছর বয়স—জীবনের শুরু, স্বপ্ন গড়ার সময়। অথচ এ বয়সেই এক তরুণ এমন এক নির্মম সিদ্ধান্ত নিল, যা ভাবলেও হৃদয় কেঁপে ওঠে। আত্ম*হত্যা—এটা কোনো সমাধান নয়, বরং এক চরম পরিণতি। কিন্তু কী এমন কষ্ট ছিল তার জীবনে, যা তাকে এত বড় এক নিকৃষ্ট পথ বেছে নিতে বাধ্য করলো?

ছেলেটির বাবা নেই। পরিবারে ছিল শুধু মা ও এক বোন। সংসারের বড় সন্তান হিসেবে হয়তো দায়িত্বের ভারটাই বেশি অনুভব করতো। কে জানে—কোনো চাপ, অপমান, হতাশা বা অভাব তাকে ভিতর থেকে এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে, যার বোঝা সে আর বহন করতে পারেনি।

সে নিজের জীবনটা শেষ করে দিলো ঠিকই—কিন্তু পেছনে রেখে গেলো এক অসহায় মা, যার বুকটা আজ ফেটে চৌচির, আর এক ছোট বোন, যার ভরসার একমাত্র মানুষটাকেও কেড়ে নিলো এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা। সে নিজের জীবন দিয়ে নিজের প্রিয়জনদেরও যেন জীবন্ত লাশ বানিয়ে গেলো।

জানি না, কী সেই অজানা কষ্ট, কিন্তু এটুকু জানি—কাউকে হারানোর ব্যথা সারা জীবনের জন্য রয়ে যায়। জীবন যতই কঠিন হোক, বেঁচে থাকার লড়াইটাই সবচেয়ে বড় সাহস। কেউ যদি আগে পাশে দাঁাতাতো, একটু বোঝাতো—হয়তো আজ গল্পটা অন্যরকম হতো।

Farhad Ahmad

0

1

18