খুলনার ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে আ-আ-গু-ন আল্লাহ সবাইকে (S
Quần short Tạo ra
এবারে রাঙ্গুনিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিকের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকের কৃষক
দেশের শস্যভান্ডার খ্যাত রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলসহ বিভিন্ন বিলে এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে সবুজ ধান সোনালি বৰ্ণ হয়ে পাকতে শুরু করলে গুমাই বিলসহ বিভিন্ন বিলে ধান কাটা শুরু করেছে কৃষকরা। অনেক কৃষক ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলেছেন। তবে এবার শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গুমাইবিলসহ উপজেলায় ৩ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত মৌসুমে রাঙ্গুনিয়ায় ধান ও চালের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে প্রধান চলনবিলের পরে দ্বিতীয় বিল হিসেবে পরিচিত এ গুমাই বিল। জানা যায়, গুমাইবিলে প্রতি বোরো মৌসুমে দেড় হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়। এ বছর প্রায় ২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে।
এদিকে গুমাই বিলসহ অন্যান্য বিলে গিয়ে দেখা যায় এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে। অন্যান্য বারের তুলনায় এবারে শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে।
তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হাসিমুখে ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।
কাঁকন জুয়েলার্স সবচেয়ে বড় স্বর্নের দোকান #কাঁকন #জুয়েলার্স #জুয়েলারি
চাঁদপুরের স্থানীয় মঞ্চে গতকাল সন্ধ্যায় অত্যন্ত আবেগঘন ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মঞ্চস্থ হলো একটি জীবনমুখী নাটক। গ্রামীণ জনপদের অবহেলিত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, মহাজনি ঋণের নিষ্ঠুর ফাঁদ এবং সামাজিক টানাপোড়েনের এক বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটে উঠেছে এই নাট্য পরিবেশনায়।
নাটকের একটি বিশেষ দৃশ্যে দেখা যায়, গ্রামীণ এক প্রভাবশালী ও পাওনাদার চরিত্রে অভিনয়শিল্পী (সবুজ পাঞ্জাবি, ধুতি ও টুপি পরিহিত) অত্যন্ত চড়া গলায় এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তার পাওনা টাকা দাবি করছেন। অন্যদিকে, সমাজের শোষিত ও অসহায় শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে অপর এক কেন্দ্রীয় চরিত্র (সাদা গেঞ্জি ও কাঁধে গামছা পরিহিত) হাত জোড় করে বিনীতভাবে নিজের চরম আর্থিক অনটন ও অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরছেন। তিনি মহাজনের ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে কিছুটা সময় প্রার্থনা করছেন এবং বর্তমান সংকট কেটে গেলে সব পাওনা চুকিয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক গ্রামীণ নারী চরিত্রের (হলুদ শাড়ি পরিহিত) নীরব কিন্তু চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন উপস্থিতি দৃশ্যটির নাটকীয়তা এবং দর্শকদের আবেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মঞ্চের আলো-ছায়ার চমৎকার ব্যবহার, প্রতীকী আবহ এবং অভিনেতাদের জীবন্ত সংলাপ প্রক্ষেপণ উপস্থিত দর্শকদের গভীরভাবে আলোড়িত করে। বিশেষ করে লাইভ বাদ্যযন্ত্রের সুর ও অভিনয়শিল্পীদের নিখুঁত অঙ্গভঙ্গি গ্রামীণ সমাজের শোষণের নির্মম বাস্তবতাকে মঞ্চে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। নাটকটি শেষে উপস্থিত দর্শক ও নাট্যবোদ্ধারা অভিনেতাদের চমৎকার পারফরম্যান্স এবং নির্দেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন।




