ফাঁ/সির দ/ণ্ড নিয়ে কাঁ/দতে কাঁ/দতে কারা/গারে
Shorts News Create
নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুরে হতদরিদ্রদের সঞ্চিত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক এশিয়া, বিরিশিরি শাখার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় দুই শতাধিক নারী -পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, বিজিডি কার্ডধারী, ডিপিএস গ্রাহক, মাতৃত্বভাতা ও এলাকার সাধারণ সঞ্চয়কারীদের ৩ শতাধিক মানুষের প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।পরে হঠাৎ করেই ব্যাংক অফিস তালাবদ্ধ করে গা-ঢাকা দেন শাখার কর্মকর্তাসহ মাঠকর্মীরা।
এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী তাসলিমা আক্তার, কামরুন নাহার, মাসুদা খাতুন, হেলেনা আক্তার, আসমা খাতুন, রোকসানা, রুজিনা, সাহারা বেগম, শামছুর নাহার প্রমুখ।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র ও অসহায়। তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও টাকা উদ্ধারে সরকারের হস্তক্ষেপ চান তারা”
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ২৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। টহলকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ। বোটদ্বয়কে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে নৌবাহিনী জাহাজ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের দুটি বোট আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে বোট দু’টি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের ২৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা অধিক মুনাফার আশায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



