Shorts News Create



⁣⁣দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ৫নং- ছাতইল ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের মাঝে ১০ কেজি চাউল বিতরণ করেন







⁣দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার
৫নং- ছাতইল ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের মাঝে বর্তমান সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় বিনামূল্যে প্রত্যেককে ১০কেজি ভিজিএফ এর চাল ঈদ উপহার বিতরণ ১১ মার্চ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। বিতরণ আগামীকাল ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এবিষয়ে সম্মানিত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান হাবু বলেন, এবছর আমার ইউনিয়নের জন্য ৪৫৬৩টি স্লিপ বরাদ্দ পেয়েছি। বরাদ্দকৃত স্লিপ স্বচ্ছতার সাথে বিতরণ করা হয়েছে। আজকে আমরা চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছি। বিতরণ কার্যক্রমে সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মারুফ হাসান, উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম ও ট্যাগ অফিসার উপস্থিত ছিলেন। আগামীকালের মধ্যে ইনশাল্লাহ বিতরণ শেষ করতে পারবো। এছাড়াও উপজেলার ১নং- নাফানগর, ২নং- ইশানিয়া ও ৩নং- মুর্শিদহাট ইউনিয়নে আজ থেকে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।

MdMominul islam

0

0

8



চাঁদপুরের কচুয়া বিশ্বরোডে তৃপ্তি হোটেল ও কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় দৈনিক নতুন আশা পত্রিকার তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথির ভাষণে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, কচুয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হেলাল চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ আপনারা আমার ও আমার উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেকোনো তথ্য নির্দেশ তুলে ধরবেন। তবে সংবাদ প্রকাশের আগে যাচাই-বাছাই করে দেখবেন সত্য ঘটনা তুলে ধরবেন। তিনি আরো বলেন, আমি কচুয়া আসার পর কচুয়া সার্বিক উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এক বছরে কি কাজ করতে পারলাম আমরা জনসাধারণের সামনে তা তুলে ধরব। সোমবার ২৯ সেপ্টেম্বর নতুন আসা পত্রিকার তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ বক্তব্য রাখেন। নতুন আসা পত্রিকা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকাশ মিয়াজীর সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি প্রফেসর এমদাদুল্লাহর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সরকারি কমিশনার ভূমি পাব নাসির, কচুয়া থানা ওসি আজিজুল ইসলাম,শিক্ষা অফিসার সেলিনা বেগম,কচুয়া কন্ঠের সম্পাদক হাবিবুল্লাহ হাবিব, কচুয়া প্রেসক্লাব সভাপতি আতাউল করিম, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম সিকদার, আবুল হোসেন প্রমুখ।

shahadat hossain Munsy

0

0

5

 

⁣নেপালি গরু পালন। কোরবানি উপলক্ষে প্রস্তুত হচ্ছে। গ্রামীন পরিবেশে যত্নসহ গৃহস্থরা তৈরি করছেন




কনটেন্টের সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত। যা অন্য কোথাও ডাউনলোড করে পোস্ট করে নিষেধ। "প্রকৃতির চোখ" আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজ যার লোগো ভিডিওটিতে আছে।

Fajli Rabbi Ruhan

0

0

1,820



⁣এই শহরে যত অন্যায়, যত বেয়াদবি, যত বেপরোয়া আচরণ—সবকিছুর একটা চলন্ত প্রতীক আছে, তার নাম লোকাল বাস।

Sumon Hawlader

0

2

17



বিজেএসএম মডেল কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের শপথ

নতুন শিক্ষাবর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর নতুন অঙ্গীকার। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাজীবনের প্রথম দিনটি এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রথমবার প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের কাছে এটি যেন এক নতুন দুনিয়ায় পা রাখার মতো অনুভূতি। বিজেএসএম মডেল কলেজে আয়োজিত এবারের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সেই অনুভূতিকে আরো প্রাণবন্ত করেছে। কলেজের প্রতিটি কোণ যেন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে নতুন আলো আর আশার বার্তা নিয়ে।

প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে, তারা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি—বরং তারা একটি বড় পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছে। নতুন পরিবেশ, নতুন সহপাঠী আর নতুন শিক্ষকের সাথে পরিচিত হওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল আনন্দ, কৌতূহল এবং চ্যালেঞ্জের এক অনন্য মিশ্রণ। সেই সাথে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের প্রতিটি ধাপ তাদের মানসিক প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করেছে।

প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, প্রভাষকবৃন্দ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মোঃ শফিউল আলম, প্রভাষক, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রাণবন্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ একদিন শুধু স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের পরিচিতি তুলে ধরবে। তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আত্মবিশ্বাস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার নতুন শিখা জ্বালিয়ে দেয়।

আমি নিজে, প্রভাষক তৌফিক সুলতান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণের কিছু দিক নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাই। আমি তাদের বলেছি, কলেজ জীবন শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি হলো প্রতিভা বিকাশের সোনালী সময়। শিক্ষার্থীরা চাইলে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে সমাজ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে। আমি তাদের উৎসাহিত করেছি লেখালেখি করার জন্য—পত্রপত্রিকায় নিজেদের মতামত প্রকাশের জন্য, কারণ লেখনী হচ্ছে চিন্তা ও চেতনার সর্বোত্তম প্রকাশ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা এই কলেজের প্রতিনিধিত্ব করবে শুধু ফলাফলের মাধ্যমে নয়, বরং জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক অবদানের মাধ্যমেও।

অধ্যক্ষ মঞ্জিল মোল্লা শিক্ষার্থীদের প্রতি তার গভীর আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সব সময় যেন মনে রাখে—কলেজের শিক্ষকরা সবসময় তাদের পাশে আছেন। যেকোনো প্রয়োজনে তারা নির্দ্বিধায় শিক্ষকদের দ্বারস্থ হতে পারে। তার এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আস্থা এবং সুরক্ষার এক শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেয়।

শিক্ষিকা জাফরিন সুলতানা তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, কলেজে তারা সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিত থাকবেন। কোনো সমস্যা হলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো সময় তার কাছে আসতে পারবে। শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকের এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক একটি উন্মুক্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। বিজেএসএম মডেল কলেজের সাহিত্য ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, সাংস্কৃতিক ক্লাব এবং ভাষা ক্লাব শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয় না, বরং দলগত নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধান এবং সামাজিক সচেতনতার মতো গুণাবলী অর্জন করে।

আজকের ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষা অপরিহার্য। আমাদের কলেজে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইন্টারনেট সুবিধা এবং আধুনিক ল্যাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করে। আমি শিক্ষার্থীদের বোঝাতে চেয়েছি, প্রতিযোগিতা এখন আর স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়। তাই তাদের এমনভাবে প্রস্তুত হতে হবে যেন তারা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেও নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারে।

ওরিয়েন্টেশনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে, তারা নিয়মিত পড়াশোনা করবে, শিক্ষক-অভিভাবকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, নৈতিকতা বজায় রাখবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তাদের চোখের দীপ্তি আর কণ্ঠের দৃঢ়তা আমাদের সকলকে আশ্বস্ত করেছে যে, তারা সত্যিই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

অভিভাবকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ শুধু শিক্ষার মান উন্নয়নে নয়, শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে এবং মানবিক গুণাবলীর বিকাশে কাজ করছে। অভিভাবকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের সন্তানরা এই কলেজ থেকে যোগ্য নাগরিক হয়ে বেরিয়ে আসবে।

সবশেষে বলা যায়, বিজেএসএম মডেল কলেজের নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি ছিল এক নতুন যাত্রার সূচনা। শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে, শিক্ষা মানে শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, বরং চিন্তাশক্তি, নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা ও অধ্যবসায় দিয়ে কলেজের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।

Towfiq Sultan

0

0

8