Calção Crio
চাঁদপুরের কচুয়া বিশ্বরোডের দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা উপজেলা প্রশাসন পৌর প্রশাসন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়ি দেওয়া হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল দশটা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক হেলাল চৌধুরী, সহকারি কমিশনার ভূমি আবু নাসের, কচুয়া থানা ওসি আজিজুল ইসলাম ও সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন ওয়াহিদুজ্জামান। অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পূর্ব থেকেই মাইকিং ও নোটিশ করে ফুটপাত দখলকারীদের অভিযানের ব্যপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও। উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে মিত্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকে বলেন রাস্তার দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা কেন্দ্র করে পূর্বের পেশীবাদী আওয়ামীলীগ পালিয়ে যাওয়ার পর বিএনপি'র কয়েকটি গ্রুপ বাস স্ট্যান্ড সিএনজি স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল করে এক কারেন্ট টাকা ও দৈনিক প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে নিয়মিত টাকা উত্তোলন করতো। উচ্ছেদে অভিযানে অনেকেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন উপজেলা প্রশাসনের প্রতি। আবার কেউ কেউ উচ্ছেদে অভিযানে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন হারুন স্কয়ারের সামনে বিশ্ব রোডের একোয়ারের পরে মালিকানা জায়গা থেকেও হারুন স্কোয়ারের মালিকের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা খেয়ে প্রশাসন এখানকার বৈধ দোকানপাট গুলো ভেঙ্গে দিয়েছে বলে অভি্যোগ করেন। এদিকে দিনভর উচ্ছেদ অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের উত্তর পাশেও মালিকানা জায়গা থেকে বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। ওসি আজিজুল ইসলাম বলেন আমাদের পরবর্তী অভিযান সাঁচার ও রহিমা নগর বাজার দখল মুক্ত করা।
🕋 ডেসক্রিপশন:
বগুড়ার মহাস্থানগড়ের প্রসিদ্ধ সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ছিলেন ইসলাম প্রচারের অগ্রদূতদের একজন। তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকে বলখ (বর্তমান আফগানিস্তান) থেকে বাংলায় আগমন করে মহাস্থানগড়ে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। তাঁর দীক্ষা, ত্যাগ ও মানবপ্রেমের কারণে অসংখ্য মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসেন। বর্তমানে তাঁর পবিত্র মাজার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা প্রতি বছর হাজারো দর্শনার্থী ও ভক্তের আগমনস্থল। যদিও তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর সঠিক সাল ইতিহাসে লিপিবদ্ধ নেই, তবুও তাঁর স্মৃতি আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান।
প্রগতিস্মরণি রোডের জে ব্লকে এমআরটি–১ ইউটিলিটি হস্তান্তর প্রকল্পের কাজে রাস্তা খনন করা হলেও বহু স্থানে বেষ্টনী ভেঙে পড়েছে বা একেবারেই নেই। চোখে দৃষ্টি থাকা মানুষ ঝুঁকি বুঝে এড়িয়ে চলতে পারলেও দৃষ্টিহীন মানুষের জন্য এসব খোলা গর্ত নীরব মৃত্যু-ফাঁদ। এমনই এক অবহেলার শিকার হয়ে খননের গর্তে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক অন্ধ ব্যক্তি। প্রশ্ন উঠেছে—এই দুর্ঘটনার দায়ভার নেবে কে? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নাকি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন?




