কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!
Shorts skab
*রাশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালালো ইউক্রেন, তিনজন নিহত*
রাশিয়ার উপর ইউক্রেনের সর্বশেষ ড্রোন হামলা স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই হামলায় রাশিয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন স্থানে ড্রোন হামলা চালিয়ে রুশ নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এই হামলায় অন্তত তিনজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এটি ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে চলমান সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে একটি নতুন পর্ব হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তির ব্যবহার যুদ্ধের কৌশলগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো এই ঘটনার দিকে নজর রাখছে, এবং এই হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
#রাশিয়া #ইউক্রেন #ড্রোন_হামলা #যুদ্ধ
উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।
এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।



