#breakingnews #viralvideo
Quần short Tạo ra
#banglanews #banglanewstoday #banglanewsong #banglanewsong2024 #banglanewslive #banglanewsong2023 #banglanewsong2020 #banglanewstv #banglanewshortfilm #banglanewsupdate #banglanewsadsong #banglanewschannel #banglanewshortfilm2021 #banglanewshortfilm2020 #banglanewsong2019 #banglanewsong2022 #banglanewsong2021 #banglanewsong2025 #banglanewsong2018 #rbanglanews #rbanglanewslive #banglanews24
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী এরশাদ উল্ল্যাসহ প্রার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকালে চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আল মদিনা হাসপাতাল এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বাসস্ট্যান্ড হয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, যুবদলের সাাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী, সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, মজিবুর রহমান, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন কোম্পানী, সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক টুটুল পাটওয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য ফজলুর রহমান, সোহেল খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সবেক যুগ্ম সম্পাদক মানিক পাটওয়ারী, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সেলিম মাহমুদ রাঢ়ী, পৌর বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রুবেল, সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক পেয়ার আহাম্মদ প্রমুখ।#
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।



