পোস্টে ইরফান জানান, ৩ অক্টোবর ২০২৬ তাঁদের বন্ধুত্বের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। জীবনে অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় হলেও কিছু মানুষ বিশেষভাবে জায়গা করে নেন। তাঁর জীবনে তেমনই একজন মানুষ হলেন ‘খোকা’।
বন্ধুর অবদানের কথা উল্লেখ করে ইরফান লেখেন, তাঁর জীবনের বর্তমান অবস্থান, অর্জন এবং স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার পেছনে খোকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পরিবারের পর এই মানুষটিই তাঁর ভালো-মন্দ, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কাজের পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিয়েছেন। শুধু পরামর্শই নয়, কঠিন সময়গুলোতে মানসিকভাবেও পাশে থেকেছেন।
ইরফানের ভাষায়, জীবনে সাফল্য এলে অনেকেই সেই সাফল্য দেখতে পান, প্রশংসা করেন কিংবা অভিনন্দন জানান। কিন্তু সেই অর্জনের পেছনে কতটা পরিশ্রম, ধৈর্য, বিশ্বাস এবং কতজন মানুষের নীরব অবদান রয়েছে, তা সবাই জানেন না। তাঁর নিজের পথচলাতেও এমন একজন মানুষের অবদান রয়েছে, যার প্রতি কৃতজ্ঞতা কখনোই ভাষায় সম্পূর্ণ প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
বন্ধুত্বের এই এক বছরকে কেবল সময়ের হিসাব হিসেবে দেখছেন না ইরফান। বরং অসংখ্য স্মৃতি, অনুভূতি, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সহযোগিতায় গড়ে ওঠা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন তিনি।
পোস্টে ভবিষ্যতেও তাঁদের বন্ধুত্ব অটুট থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ইরফান আরও লেখেন, জীবনে বড় কিছু অর্জনের জন্য নিজের চেষ্টা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি সঠিক মানুষের অনুপ্রেরণাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কখনো কখনো একজন মানুষের বিশ্বাসই অন্য একজনকে নিজের ওপর নতুন করে বিশ্বাস রাখতে শেখায়।
বন্ধুত্বের বর্ষপূর্তিতে সবার কাছে তাঁদের জন্য দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেতা। মহান আল্লাহ যেন দুজনকে সুস্থ ও ভালো রাখেন, জীবনের প্রতিটি ভালো কাজে সফলতা দান করেন এবং তাঁদের মধ্যকার বিশ্বাস, সম্মান, আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সম্পর্ক আজীবন অটুট রাখেন—এমন প্রার্থনাও জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে ইরফান লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, জীবনে কিছু মানুষকে পাওয়া সত্যিই অনেক বড় একটি নিয়ামত।”
বন্ধুত্ব, কৃতজ্ঞতা ও জীবনের পথচলায় একজন মানুষের ইতিবাচক অবদানকে ঘিরে ইরফানের এই আবেগঘন পোস্টটি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতারই বহিঃপ্রকাশ।