ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ: পৌনে… | আই নিউজ বিডি

ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ: পৌনে ২০০ কোটি টাকা জলে যাওয়ার শঙ্কা।..

Juned Ahmed Runu avatar   
Juned Ahmed Runu
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ: পৌনে ২০০ কোটি টাকা জলে যাওয়ার শঙ্কা।..
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ: পৌনে ২০০ কোটি টাকা জলে যাওয়ার শঙ্কা।..
ছবি: সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়ন কাজের শুরুতেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।..

ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ: পৌনে ২০০ কোটি টাকা জলে যাওয়ার শঙ্কা
জুনেদ আহমদ রুনু,ছাতক(সুনামগঞ্জ)::
সুনামগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়ন কাজের শুরুতেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের শুরুতেই এমন উদাসীনতা ও অনিয়ম অব্যাহত থাকলে সরকারের প্রায় পৌনে দুইশ কোটি টাকা জলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এতে মুষ্টিমেয় কিছু দুর্নীতিবাজ লাভবান হলেও চরম ভোগান্তির শিকার হবেন এই অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ।
জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে দেশের শীর্ষস্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অরিয়েন্ট ট্রেডিং অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেড (ওটিবিএল)’ প্রায় এক মাস আগে এ সড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু করে। গোবিন্দগঞ্জ থেকে ছাতক সুরমা সেতুর চত্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক ২ লেন এবং সেখান থেকে ছাতক বাজার পর্যন্ত ৪ লেনের কাজ চলমান রয়েছে। দুই অংশের এই কাজের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭৪ কোটি টাকা।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যবহারের জন্য মাধবপুর লালপুল এলাকায় প্রায় আড়াই লাখ ব্লক তৈরির টার্গেট নিয়ে কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে ইতোমধ্যে শারফিনটিলার মরা লাল পাথরের সাথে ভবন ভাঙার কংক্রিট, নিম্নমানের বালি ও সিমেন্ট দিয়ে প্রায় ২০ হাজার ব্লক তৈরির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী কাজ তদারকির জন্য কোনো সাইনবোর্ড বা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় কাজের মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ব্লক তৈরির কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, ঠিকাদারের নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা কাজ করছেন। এ বিষয়ে তারা এর বেশি কিছু বলতে নারাজ।
এদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ওটিবিএল-এর ডিপিএম ও গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক সুরমা সেতুর চত্বর পর্যন্ত ২ লেন কাজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার সজল হাওলাদার দাবি করেন, “সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ব্লক তৈরির বিষয়ে নির্দিষ্ট সিডিউল অনুযায়ীই কাজ চলছে এবং নিয়মিত পানি দিয়ে তা ধোয়া হচ্ছে।”
অন্যদিকে, ছাতক সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাদাৎ হোসেন নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ব্লক তৈরির বিষয়ে বলেন, “ভোলাগঞ্জের কোয়ারি বন্ধ এবং সুনামগঞ্জে সাদা পাথর না পাওয়ায় শারফিনের পাথর দিয়ে ব্লক তৈরি হচ্ছে। রাতের বেলায় পাথর আসলে পরদিন সকালে তা ধুয়ে ব্লক তৈরির কাজে লাগানো হয়।” তিনি শতভাগ না হলেও ৯৫ শতাংশ কাজ ভালো হচ্ছে বলে দাবি করেন।

Aucun commentaire trouvé


News Card Generator